চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানা এলাকায় চাঁদাবাজির মামলায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে ব্যাপক গাড়ি ভাঙচুর করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এই এ ঘটনা ঘটে।

আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সড়ক অবরোধের ফলে বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত প্রায় ২ ঘণ্টা চট্টগ্রাম কক্সবাজার সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার দুপুরে একটি চাঁদাবাজির মামলায় কর্ণফুলী থানা আওয়ামী লীগের এডহক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার করে কর্ণফুলী থানা পুলিশ।

দুপুরে পটিয়া আদালত এলাকা থেকে এই নেতাকে গ্রেফতারের পর কর্ণফুলী থানা এলাকায় এই খবর ছড়িয়ে পড়লে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা কর্ণফুলী থানার মইজ্জার টেক নামক এলাকায় অবস্থান নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ। এই সময় ক্ষুদ্ধ নেতা-কর্মীরা কপক্ষে আট-দশটি যানবাহন ভাঙচুর করে।

পটিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শামীম হোসেন জানান, গত ৩ মে শিকলবাহা ২২৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে পাথর সরবরাহ নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় পটিয়ার সাংসদ শামসুল হক চৌধুরীর ছোট ভাই নবাব বাদি হয়ে কর্ণফুলী থানা আওয়ামী লীগের এডহক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ জাহাঙ্গীর মেম্বারকে আসামি করে একটি চাঁদাবাজির মামলা করেন।

এই মামলায় জাহাঙ্গীর আলমকে বুধবার দুপুরে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় একটি পক্ষ সড়ক অবরোধ ও গাড়ি ভাঙচুর করেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।

এদিকে কর্ণফুলী থানা পুলিশ সন্ধার দিকে অবরোধকারীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করেছে।

উল্লেখ্য গ্রেফতারকৃত আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম এলাকার একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত।

চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে চাঁদাবাজি, ভুমি দখল এবং নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এমকে