অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, সুন্দরবনের কাছে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নেতিবাচক কিছু প্রভাব পরিবেশের উপর পড়তে পারে। তবে প্রকল্পটি না সরানোর পক্ষে সরকারের অবস্থান একই জায়গায়।
তিনি বলেছেন, “দ্যাট উড বি সাম ইমপ্যাক্ট, অবভিয়াসলি (অবশ্যই কিছু প্রভাব পড়বে)। এত নৌকা আসবে, ক্যারিং সো মাচ কোল; এই নৌকা আসার ফলেই তো ফ্লোরা-ফনা ভেরি সাবস্টেনশিয়ালি অ্যাফেক্টেড হবে।”
ভারতের সঙ্গে যৌথ অর্থায়নে বাগেরহাটের রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে, যা বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের জন্য হুমকি হবে দাবি করে তার বিরোধিতা করে আসছে পরিবেশবাদীরাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।
তবে ক্ষতির সম্ভাবনা নাকচ করে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ক্ষতি যতটুকু সম্ভব কমিয়েই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “রামপাল নিয়ে আমাদের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য হলো, তারা একটা ভালো পরিবেশগত সমীক্ষা করেছে। সেখানে খুব বেশি ইমপ্যাক্ট হবে না বলে দেখা গেছে।’”
এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সরিয়ে অন্য কোথাও করা যায় কি না- সাংবাদিকদের এই প্রশ্নে তিনি বলেন, “এটার মনে হয়, এখন পসিবিলিটি নাই।”
সোমবার বিশ্ব ব্যাংকের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক পলা ক্যাবালেরো নেতত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারণে সুন্দরবনের ঝুঁকি খতিয়ে দেখতে ইউনেস্কোর একটি প্রতিনিধি দলেরও মার্চ মাসে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসায় প্রথমে রামপাল নিয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
এআই





