রৌমারী উপজেলার সুইচগেট মোড় হইতে টাপুরচর পর্যন্ত পাকা রাস্তার প্রতিমধ্যে জিগ্নিকান্দি সামসুলের বাড়ী সংলগ্ন ব্রীজের মূখ বন্ধ করে দ্বিতল বাড়ি নিমার্ণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এলাকা বাসি বলছে ব্রীজের মুখ বন্ধ করে দ্বিতল বাড়ী নির্মাণ করা হলে হুমকির মুখে পরবে প্রায় দুই হাজার একর ফসলী জমি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় জিগ্নিকান্দি গ্রামের গুতু শেখ ছেলে আব্দুল আজিজ (৩২) ব্রীজের মূখ বন্ধ করে দ্বিতল বসতবাড়ী নির্মাণ করছে।
ঐ গ্রামের আঃ জলিল বলেন বর্ষা মৌসুমে ব্রীজের পূর্ব অংশের প্রায় দুই হাজার একর ফসলী জমির পানি নিস্কাশনের একমাত্র পথ ঐ ব্রীজ। ব্রীজের মূখ বন্ধ করে দোতলা বসতবাড়ী নির্মাণ করা হলে ভিতরের পানি ব্রীজ নিচ দিয়ে দ্রুত নেমে যেতে পারবেনা। ফলে থানা মোড় হইতে টাপুরচর পর্যন্ত পাকা রাস্তার পূর্বপাশে জমিতে জলাবন্ধতা সৃষ্টি হবে।
এর ফলে প্রায় দুই হাজার একর তিন ফসলী জমি এক ফসলিতে পরিনিত হবে। ঝুনকিরচর গ্রামের কাসেম বলেন বন্যার পানি দ্রত নেমে যাওয়া সময় হুমকির মুখে পড়বে ব্রীজটি। পানি চাপে পাকা রাস্তা সহ ব্রীজটি ভেঙ্গে যাবে। স্থানীয় জনগণে দাবী পানির স্বাভাবিক গতি পথ বন্ধ করে যাতে বসত বাড়ি নির্মান করা না হয়।
এ ব্যাপারে বাড়ীর মালিক আব্দুল আজিজ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমার নিজস্ব জমিতে আমি পাহাড় বানাবো তাতে কার কি ক্ষতি হবে এটা আমার দেখার বিষয় না। আমি তো সরকারের জমিতে বাড়ি করছি না।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভার) শঙ্কর কুমার বিশ্বাস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে স্থানীয়ভাবে আপনারা বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করেন।
এসএইচ





