দেশব্যাপী ২০ দলীয় জোটের হরতাল-অবরোধ চলাকালে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এসময় পুলিশসহ বেশ কয়েক জন পথচারী আহত হয়েছেন। পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাজাধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পাশে পুলিশকে লক্ষ করে পর ৬টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টার ওই ককটেল হামলায় একজন পুলিশসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত একজনকে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যপারে পল্টন মডেল থানায় ডিউটিরত এসআই জলিল জানান, এ পর্যন্ত আমার কাছে কোনো সংবাদ আসে নাই। আমি কিছুই জানি না।
নয়াবাজার ব্রিজের গোড়ায় বেলা পোনে তিনটার দিকে ১০-১২টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে আরও জানা যায়, হঠাৎ করে বেলা পোনে তিনটার দিকে প্রায় একই সাথে ১০ থেকে ১২টি ককটেল বিকল শব্দে বিস্ফোরিত হয়। কর্মব্যস্ত এই এলাকায় উপস্থিত বেশ কয়েকজন এতে আহত হয়। তবে, পুলিশ দুর্বৃত্তদের কাউকে আটক করতে পারেনি।
এদিকে শ্যামপুর ইকো পার্কের সামনে রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় পুলিশকে লক্ষ করে ৮টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এসময় পুলিশ দুর্বৃত্তদের ধরতে ধাওয়া দেয় এবং বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
সকাল ৭টায় শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পরপর ৭টি ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তবে কেউ হতাহত হয়নি বলে জানা গেছে।
রাজধানীর বিজয়নগরে পানির ট্যাংকির সামনে সকাল ৮টায় অন্তত ৪টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটনায় দুর্বৃত্তরা। এতে ৪ জন পথচারী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এছাড়াও বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির অফিসের সামনে সকাল ১১টায় ৪টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এখানে কেউ হতাহত হয়নি।
এদিকে রাজধানীর ধোলাইখালে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে ১০টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে কেউ হতাহত হয়নি।
রামপুরায় সকাল ৮টায় পুলিশ লক্ষ করে অন্তত ১০টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটনায় দুর্বৃত্তরা। এসময় কেউ হতাহত হয়নি। এমকি এসব ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
এআর





