‘শিক্ষায় আমাদের প্রসার ঘটেছে কিন্তু এখনও মানসম্পন্ন শিক্ষার ঘাটতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেন, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও কৃষি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার ইব্রাহিম খালিদ।


বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে উন্নয়ন সমন্বয় আয়োজিত ‘অতিদারিদ্র্য নিরসন : জাতীয় বাজেটের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘অতিদারিদ্র্যের সাথে আমরা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের দরিদ্রতা থেকেও মুক্ত হতে চাই। তাহলে আমাদের দরিদ্রতা থেকে মুক্তি টেকসই হবে।’

অতিদারিদ্র্যের সীমা ১০ ভাগের নিচে নেমে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের যেকোনো উদ্যোগে সচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে যার জন্য যে সুবিধা বরাদ্দ করা হবে, আসলেই সেটা তার কাছে পৌঁছলো কিনা সে বিষয়ে রাজনৈতিক দল এবং সরকারের স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নজরদারি বাড়াতে হবে।’

মাঠপর্যায়ে নজরদারি বাড়ালে একদিনে সব ঠিক হয়ে যাবে না, তবে অসঙ্গতি কমিয়ে আনা যাবে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘অতিদারিদ্র্যকে লক্ষ্য রেখে কাজ করে গেলে স্বাভাবিকভাবেই দারিদ্র্য দূর হয়ে যাবে এবং সরকার তার উন্নত দেশের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে।’

মতবিনিময় সভার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন বিভাগের প্রফেসর তৈয়েবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অতিদারিদ্র্য নিরসনে বাজেটে যে বরাদ্দ রাখা উচিত তার চেয়ে কম বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট টিপু সুলতান ও নাজমূল হক প্রধান প্রমুখ।

এমএ