ভোলার লালমোহন গজারিয়া এলাকায় হরিপূজা চলাকালীন হামলা চালিয়ে অনুষ্ঠান পন্ড, ঘলবাড়ি ভাংচুর, লুটপাট ও ১৫ নারী পুরুষকে পিটিয়ে জখম করার পর উল্টো ওই হরিপূজার আয়োজকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে এলাকার প্রভাবশালী প্রাক্তন এক ইউপি মেম্বার ও তার ভাগ্নেরা।

ওই মামলায় গতকাল বুধবার ভোর রাতে পুলিশ আহত অনিমেশ ও ননী গোপালকে গ্রেফতার করেছে।

গত শুক্রবার হরিপূজার আয়োজন নিয়ে মত বিরোধ হওয়ায় প্রাক্তন ইউপি মেম্বার মহাদেব বেপারী , তার ভাগ্নে শরৎ , সুভাষ চন্দ্র ২৫ /৩০ জন ভাড়াটে বাহিনী নিয়ে হামলা করে।

এমনকি আহতরা লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে সেখানেও ওই বহিরাগতরা বাধা দেয়। পরে এরা ওই হাসপাতাল থেকে রেফার করে তাদের ভোলা হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধিন ছিলেন মঞ্জিলা মজুমদার (৭২), দয়াময় মজুমদার (৪৯), অনিমেষ বিশ্বাস (২৮) , সবুজ রানী মজুমদার (৩০), অনিমেশ বিশ্বাস ( ২৬), কৃষ্ণ মজুমদার ( ২৮). আখি রানী ( ২৫), চঞ্চলা রানী ( ২৫). ব্রজ বালা ( ৪৫), ননী গোপাল ( ৫০) ।

আবার হামলায় এদের আসামী করা হয়েছে। এলাকার বর্তমান ইউপি মেম্বার টুলু যুগান্তরকে জানান, এক প্রভাবশালী ব্যাক্তির সেল্টারে   হামলাকারীরা দাপটের সঙ্গে ঘুরছে । নিরীহ আহতদের পুলিশ গ্রেফতার করে।

লালমোহন থানা সূত্র জানায় সুভাষ চন্দ্র মাঝি বাদি হয়ে লালমোহন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে চাঁদাবাজি মামলা করে।

এসএইচ