পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে পেশাজীবী ছাড়াও মৌসুমি কসাইদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। কসাই সংকট প্রতি কোরবানি ঈদে ঢাকায় নিত্য ঘটনা। ঈদের সময় কদর বেশি হওয়ায় বিভিন্ন জেলা থেকে মৌসুমি কসাই রাজধানীতে ছুটে আসে অর্থ উপার্জনের জন্য। তারপরও প্রতিবার কোরবানি ঈদে কসাই সংকট লেগেই থাকে।
পেশাদার কসাই সংকটে পড়ে রাজধানীবাসী ফলে মৌসুমী কসাইদের কদরও বেড়ে যায়। প্রতিবার কসাই না পেয়ে কোরবানী করতে দীর্ঘক্ষন অপেক্ষা করতে হয় অনেককেই। পেশাদার কসাইদের মতে, ঈদের সময় রাজধানীর বহু মানুষ কোরবানি দেন। ফলে পশুর সংখ্যা বেশি হওয়ায় কসাইয়ের সংকট সৃষ্টি হয়।
এই সংকট বা কসাই খুঁজে না পাওয়ার বিড়ম্বনা এড়াতে এবার অনলাইনেই বুকিং দেওয়া যাচ্ছে কোরবানির পশুর জন্য কসাই। কোরবানির হাটে জনজট, দালালদের খপ্পর, বাজার অস্থিরতা, কোনো কিছুই আর ক্রেতাকে দেখতে হবে না। এসব ঝক্কি-ঝামেলা এড়িয়ে কোরবানির পশু কেনা যাচ্ছে অনলাইনেই। সেই সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারে এখন ঘরে বসে কোরবানির পশুর কসাই পাওয়ারও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
সেবা ডট এক্সওয়াই জেড, বিক্রয়ডটকম, ‘কসাই সাপ্লাই’সহ বিভিন্ন ওয়েব সাইট এবং ফেসবুক পেজের মাধ্যমে কোরবানির পশুর জন্য কসাই সার্ভিস চালু করেছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এছাড়া বিক্রয় ডটকম, আমারদেশ ই-শপ, এখানেই ডটকম, হাটেরগরু ডটকম ছাড়াও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে কোরবানির পশু বিক্রির অর্থাৎ অনলাইন কোরবানির হাটের বিজ্ঞাপন পাওয়া যাচ্ছে।
সেবা ডট এক্সওয়াই জেডের কাস্টমার ম্যনেজার রাবেয়া খাতুন এ প্রসঙ্গে বলেন, ঈদের আনন্দকে আরও বিশেষভাবে উপভোগ করতে গ্রাহকরা ঘরে বসেই কসাই নির্বাচন এবং প্রি-বুকিং করতে পারবেন। এই সেবার মূল্য মানভেদে যথাক্রমে প্রতি হাজারে (কোরবানির পশুরমূল্যের উপর) কসাইয়ের সেবার মূল্য পড়বে ১৫০ টাকা, ২০০ টাকা এবং ২৫০ টাকা। কাস্টমার ওয়েবসাইটে ঢুকে বা কল করে এই সেবা নিতে পারবেন।
‘কসাই সাপ্লাই’ নামের অপর একটি ফেসবুক পেজও কসাই সাপ্লাইয়ের সেবা দিচ্ছে। পেজটির পরিচালক সোলাইমান হোসেনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, অনলাইনে ‘কসাই সাপ্লাই সার্ভিসটি চালু করেছি। এ বছর বেশ সাড়া পেয়েছি। ইতোমধ্যে ১শ`র বেশি অর্ডার পেয়েছি। দক্ষ ও প্রফেশনাল লোক দিয়ে আমরা সার্ভিস দিচ্ছি। ফোন করেও কাস্টমাররা এ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে কাস্টমারকে অর্ডার নিশ্চিত করতে ৫০০ টাকা অগ্রিম প্রদান করতে হবে।
এম এ





