জোয়ারের পানিতে ভোলার তিনটি উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন প্লাবিত। এ এলাকার লাখো মানুষ চরম দুর্ভোগে দিন যাপন করছে।

অস্বাভাবিক জোয়ারে তৃতীয় দিনের মত প্লাবিত হয়েছে ওই ১২ ইউনিয়নের অন্তত ৫০টি গ্রাম। ৩/৪ ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে এসব এলাকার ঘরবাড়ি, রাস্তা-ঘাট, পুকুর-ঘের ও ফসলি জমি। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন এখানে বসবাসকারী বাসন্দারা।

পানিবন্দী এসব মানুষ মানবিক বিপর্যয়ে পড়েছে। তাদের ঘরে জ্বলছে না চুলা।
কৃষক ও মজুরেরা কাজেও যেতে পারছেন না। তিন দিন ধরে তারা পানিতে ভাসমান অবস্থায় রয়েছেন।

সোমবার তিন উপজেলার নতুন করে ৫০ গ্রাম প্লাবিত হয়। ফলে পানিতে বিপন্ন হয়ে পড়েছে উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকা।

ভোলার জেলা প্রশাসক মো. সেলিম রেজা সোমবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দ্রুত বাঁধ মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নিদের্শ দিয়েছেন।

গত দুই দিনের তুলনায় সোমবারের জোয়ারের গতি আরও অধিক বলে এলাকাবাসী জানায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভোলার চরফ্যাশন, মনপুরা ও দৌলতখান এ তিনটি উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে তিন দফা জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পূর্ণিমায় সৃষ্ট জোয়ারের চাপে ভোলার নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি ফলে এসব এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। প্লাবিত হচ্ছে উপকূলের নির্মাঞ্চলও। লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ার কারণে মানুষ ঘরবাড়ি ও ভিটা ছেড়ে উচু স্থানে আশ্রয় নিচ্ছে।

কুকরী-মুকরী ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম বলেন, তৃতীয় বারের মত সোমবারও পানিতে প্লাবিত হয়েছে পুরো কুকরী-মুকরী।
ঢাকা, জেইউ, ১৪ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) এসআর