গাজীপুর ও টাঙ্গাইলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে সন্দেহভাজন ১১ জঙ্গি নিহত হয়েছে। জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পৃথক অভিযানে গাজীপুরের হারিনালের পশ্চিমপাড়ায় দুজন ও নোয়াগাঁও এলাকার পাতারটেকে সাতজন নিহত হয়েছে। আর টাঙ্গাইলে নিহত হয়েছে দুজন।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) হারুন অর রশিদ বলেন, নব্য জেএমবির ঢাকা বিভাগীয় কমান্ডার আকাশ তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে পাতারটেকে দোতলা একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন এমন খবর ছিল।
এরই ভিত্তিতে শনিবার সকাল ১০টার দিকে সেখানে অভিযান চালায় জেলা পুলিশ, পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট ও সোয়াট টিমের যৌথ দল।
প্রথমে তাঁদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। কিন্তু তাঁরা তা না করে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ও গ্রেনেড ছোড়েন। পুলিশও পাল্টা গুলি করে। বিকেল চারটা পর্যন্ত এ অভিযান চলে।
অভিযান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নিহত জঙ্গিদের আত্মসমর্পনের সুযোগ দেয়া হয়েছিল। তারা এ সুযোগ না নেয়ার তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়।
সকাল ১০টার দিকে সিটি কর্পোরেশনের নুয়াগাঁও পাতারটেকের ওসমান আলীর দ্বিতীয়তলা বাড়িতে এ অভিযান শুরু হয়।
এরআগে সকালে আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে গাজীপুরের হাড়িনালে ২ জঙ্গি এবং টাঙ্গাইলের কাগমারায় ২ জঙ্গি নিহত হয়।
এ নিয়ে শনিবার আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে নিহত জঙ্গির সংখ্যা বেড়ে ১১ তে দাঁড়িয়েছে।
পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, নব্য জেএমবির ঢাকা বিভাগীয় কমান্ডার আকাশ তার সহযোগীদের নিয়ে এই বাড়িতে অবস্থান করছে- এমন খবরে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গাজীপুরের স্থানীয় পুলিশকে নিয়ে র্যাব, সোয়াট ও সিটির সদস্যরা এই অভিযান চালায়।
এমবি/এসএম





