বোরো মৌসুমে ঠাকুরগাঁওয়ের বি এ ডি সির ৩ শতাধিক চুক্তিবদ্ধ কৃষক ধান বীজ সরবরাহ দিয়ে টাকা পাচ্ছেনা। টাকার জন্য প্রতিদিন ধরনা দিচ্ছে তারা । বীজের দাম না পেয়ে অভাব-অনটনে পড়েছে চাষীরা ।

সদর উপজেলার মন্ডলা ধাম গ্রামের কামিনী রায় বলেন ৬ মাস আগে বি এ ডি সিতে বোরো ধান বীজ দিয়েছেন। কিন্তুু এখনো তিনি বীজের দাম পাননি। আমাদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব অথচ আমরা আমাদের পাওনা পাচ্ছিনা। একই অভিযোগ পার্শবর্তী আাউলিয়াপুর ইউনিয়নের শাশলা পিয়ালা গ্রামের নিতাই চন্দ্র রায়ের। তিনি বলেন তার বিএডিসির কাছে লক্ষাধিক টাকা পাওনা আছে।

টাকার অভাবে দূর্গা পুজোর কেনা কাটা করতে পারছেন না। পার্শবতী উপজেলার পাল্টা পাড়া গ্রামের দীপক কুমার রায় আক্ষেপ করে বলেন কৃষকবান্ধব এই সরকার কৃষককেই কষ্ট দিচ্ছে। টাকার অভাবে তারা উৎসবের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অন্যদিকে হরিহরপুর গ্রামের কৃষক ইয়াসিন আলী দুঃখ করে বলেন আমরা বাকী রাখলেও সার কীটনাশক দোকানিরা টাকা বাকী রাখেনা। বাকী পরিশোধ করতে তাদের গরু-ছাগল বিক্রি করতে হচ্ছে। পাশের গ্রামের আব্দুল মজিদ বলেন তার বড় ভাইকে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারচ্ছেন না।

বি এ ডি সি সূত্রে জানা গেছে ৬ মাস আগে কৃষকরা বিএডিসির তিনটি শাখায় বোরো ধানের বীজ সরবরাহ দিয়েছেন। এই ধানের বীজ সংশ্লিষ্ট বিভাগ ইতিমধ্যে ডিলারের মাধ্যেমে বিক্রি করেছেন। কিন্তু ঠাকুরগাঁও এবং পঞ্চগড় জেলার বোদা ও আটোয়ারি উপজেলার কৃষকদের প্রায় ৬ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও বি এ ডি সির কর্মকর্তারা গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে মুখ খোলছেন না। তবে ঠাকুরগাঁওয়ের শীবগঞ্জ বিএডিসির কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন টাকা পাওনার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,তার দপ্তরে চাষীদের টাকা পাওনা নেই।

জেড