রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় চিকিৎসক, কলেজছাত্র ও এক কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে এ পৃথক ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, মাতুয়াইল মা ও শিশু সদন হাসপাতালের চিকিৎসক কমল কান্তি ঘোষ, ইয়াসিন আরাফাত জিসান এবং উত্তরা রাজউক মডেল কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী বিথী।
ভাটারার নূরের চালার ১০/৩৯ নম্বর বাসা থেকে মাতুয়াইল মা ও শিশু সদন হাসপাতালের চিকিৎসক কমল কান্তি ঘোষের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে রামপুরার পূর্ব রিয়াজবাগে ইয়াসিন আরাফাত জিসান নামে এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
অন্যদিকে সন্ধ্যার দিকে রামপুরা বনশ্রী আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডের ৩২ নম্বর বাড়ি থেকে উত্তরা রাজউক মডেল কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী বিথীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
বর্তমানে লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল মুত্তাকিন জানান, প্রাথমিক ধারণা চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন। বাসার ফ্যানের সঙ্গে তার লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
নিহতের গ্রামের বাড়ি খুলনার রুপসায়। ছয় মাস আগে ফ্যাশন ডিজাইনারকে বিয়ে করেন তিনি।
জিসানের বড় ভাই রাফসান জানি জানান, জিসান সিদ্ধেশ্বরী কলেজের মার্কেটিং বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি কম্পিউটারের দোকানে ছিলেন। রাত ৯টার দিকে তার মা ফোনে জানান, জিসান ঘরের দরজা বন্ধ করে আছে। অনেক ডাকাডাকি করলেও সে দরজা খুলছে না। পরে সে বাসায় এসে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখেন সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে জিসান ঝুলে আছে।
জিসানের বাবা লিয়াকত আলী জানান, সে মানসিক রোগী ছিল। তার ঘরে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লিখা ছিল, তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।
এমআর





