বাংলাদেশে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফনী’।এরই মধ্যে শুক্রবার (০৩ মে) দুপুর পর্যন্ত দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের ৪ লাখ ৪ হাজার ২৫০ জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।
আজ (শুক্রবার) দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব শাহ কামাল এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন।
দুর্যোগ ও ত্রাণ সচিব বলেন, সন্ধ্যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর ২১ থেকে ২৫ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
দেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ বসবাস করেন। আর ১৯ জেলার ১৪৭ উপজেলার ১৩ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা উপকূলীয় এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এইসব জেলায় ৪ হাজার ৭১টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। ফনি আসার আগেই দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষকে আশ্রয় দেয়ার জন্য এগুলোর বেশিরভাগই প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
শাহ কামাল বলেন, নেভি, কোস্টগার্ড, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্বেচ্ছাসেবকসহ রাজনৈতিককর্মীরা উপকূলের মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।
এদিকে আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, এখনও ঘূর্ণিঝড়টি শক্তিশালী রয়েছে। তাই সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে হবে। সরকারের নির্দেশনা না পেলে কেউ যেন আশ্রয়কেন্দ্রে ত্যাগ না করেন।
এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, “মানুষের কোনো ক্ষতি হতে দেব না এই জন্য ৪ হাজার ৭১টি আশ্রয়কেন্দ্র পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এবার স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আসছে।”
৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের সঙ্গে অন্যরা এই কাজে অংশ নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সন্ধ্যার আগে সব লোককে আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হবে, একটি লোককেও রেখে আসা হবে না।
এমবি





