পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও সহকারী প্রকৌশলী বদিউজ্জামান ফারুকী জুয়েলের অনিয়ম- দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল আলম রমজান।
মেয়রের দুর্নীতির প্রতিবাদে নিজের শরীরে স্লোগান লিখে জাতীয় পতাকা হাতে সোমবার বেলা সাড়ে ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত দেড় ঘণ্টা ধরে প্রখর রোদে দাঁড়িয়ে নীরব প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। এ সময় পথচারীরা দাঁড়িয়ে তার এই কর্মসূচি প্রত্যক্ষ করেন। লোকজন এনিয়ে নানা মন্তব্য করেছেন। আবার কেউ কেউ বলেছেন, কাউন্সিলর আশরাফুল আলম রমজান পাগল হয়ে গেছেন।
এ সময় প্রতিবাদী ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল আলম রমজান মেয়র ও সহকারী প্রকৗশলীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরেন। কাউন্সিলর আশরাফুল আলম রমজান জানান, আগামীতে অন্যান্য কাউন্সিলর ও নাগরিকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধের জন্য প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত রাখবেন।
এ সময় ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা তৈরির নিয়ম মানার পরিবর্তে সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ১০-১৫ হাজার টাকা করে ঘুষ দাবির অভিযোগ তোলেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। সেবা থেকে বঞ্চিত নাগরিকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগকে রাজনৈতিক বলে দাবি করেছেন মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। এর আগেও দুর্নীতির অভিযোগে কাউন্সিলর আশরাফুল আলম রমজান সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে পৌরসভা ভাংচুর এবং প্রকৗশলী ও হিসাব শাখাসহ তার কক্ষে তালা ঝুলিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম জানান, সে সময় মনগড়া দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশরাফুল আলম রমজান। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায়নি বলে জানান দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে সনদ দিয়েছে তাকে। প্রয়োজনে আবারো তদন্তে আপত্তি নেই বলে জানান মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।
এমএনজে





