ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন লেখেন শাহবাগ থানার এসআই শামছুর রহমান। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর করা হযেছে নুসরাতের স্বজনদের কাছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ময়নাতদন্ত শুরু হয়ে শেষ হয় ১২টায়। তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড ময়নাতদন্তে অংশ নেয়।
এদিকে, নুসরাতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার তাকে দাফন করা হবে। বাদ আসর সোনাগাজী সাবের পাইলট হাইস্কুল মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
ময়নাতদন্ত করেন নুসরাতের ময়নাতদন্তের জন্য গঠিত বোর্ডের প্রধান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. সোহেল মাহমুদ। তার সঙ্গে ছিলেন বোর্ডের দুই সদস্য প্রভাষক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস ও প্রভাষক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস।
ময়নাতদন্ত শুরুর আগে ডা. প্রদীপ বিশ্বাস জানিয়েছিলেন, সকালেই নুসরাতের লাশ হিমঘর থেকে মর্গে নেয়া হয়েছে। বেলা সোয়া ১১টার দিকে পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদন তাদের হাতে আসে। এর পর ময়নাতদন্ত শুরু করেন তারা। ময়নাতদন্ত শেষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে লাশ বুঝে নেন নুসরাতের বাবা একেএম মুসা মানিক।
প্রসঙ্গত, শনিবার (৬ এপ্রিল) সকালে ফেনীর সোনাগাজীতে পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতর নুসরাতের (১৮) গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যাচেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। সোনাগাজী পৌর এলাকার ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। নুসরাত ওই মাদ্রাসা থেকেই আলিম পরীক্ষা দিচ্ছিলেন।
আগুনে হত্যাচেষ্টার পর নুসরাতকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢামেকে নিয়ে আসা হয়। তার চিকিৎসায় গঠিত হয় মেডিকেল বোর্ড। সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এএস





