ঝিনাইদহের শৈলকুপার নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নের সাপখোলা গ্রামে অবস্থিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের ব্রীজটি দীর্ঘ ১০ বছর ভেঙ্গে গেলেও মেরামতের উদ্দোগ নেয়া হয়নি।
এতে চরম দূভোর্গে পড়েছে ঐ এলাকার মানুষ। প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে পন্যবাহি গাড়ি গুলো। ছাত্র ছাত্রীদের স্কুল কলেজে যাতায়াত থেকে শুরু করে ব্যবসা বাণিজ্য সর্বক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়ছে।
এদিকে সেতুটি ভেঙে পড়ায় বাগুটিয়া, গোপালপুর, সাহাবাসপুর, সাপখোলা, আশুর হাট, পীড়াগাতী, শেখরা, রুপদা, ব্যাসপুর সহ এলাকার প্রায় ১০ গ্রামের সাথে ঝিনাইদহ সদর থানার যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে গেছে।
যার ফলে ঐ এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মূমূর্ষ অবস্থায় কোন রোগীকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিতে হলে প্রায় ১২ কিঃ মিঃ ঘুরে অন্য রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। কৃষি প্রধান এই এলাকার কলা চাষীদের কলা হাটে নিতে প্রায় ২০ কিঃ মিঃ অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, ব্রীজটি ১৯৮৮ সালের প্রথম দিকে তৈরী করা হয়। কিন্তু ২০০৬ সালের মাঝামাঝি এসে ভেঙে পড়ে। স্থানীয়রা নিজেদের উদ্দোগে চলাচলের উপযোগী করে তোলে কিন্তু ২০১০ ইং সালে ব্রীজের এক পাশে ভেঙে পড়লে এলাকাবাসী বাঁশের খাঁচি করে মাটি দিয়ে ভারাট করে চলাচলের উপযোগী করে।
সাপখোলা গ্রামের সারজিল হোসেন সহ অনেকেই জানান, গ্রীষ্মকালে কিছুটা চলাচল করা গেলেও বর্ষা কালে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ে। যার ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। ব্রীজটি মেরামত করে, ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা পড়া থেকে শুরু করে এলাকার মানুষের ভোগান্তি লাঘব করতে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে শৈলকুপা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহ প্রকৌশলী আশরাফ হোসেন জানান, ব্রীজটির ডিজাইন করে তিনি পাঠিয়ে দিয়েছেন সেটি পাশ না হলে তিনি কিছুই করতে পারবেন না। এটি এখন এল জি ইডির কাজ।
এমবি





