বিশ্বব্যাপী সামরিকবিষয়ক গবেষণা গ্লোবাল ফায়ারের তথ্যে বলা হয়েছে, সার্বিক বিবেচনায় বিশ্বের ১৩৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর অবস্থান ৫৬তম। বাংলাদেশের সামরিক বাজেট ১৫৯ কোটি মার্কিন ডলার।

সামরিক শক্তির দিক থেকে বিশ্বের এক নম্বরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর দ্বিতীয় অবস্থানটি হচ্ছে রাশিয়ার। অন্যদিকে বাংলাদেশের তুলনায় এগিয়ে আছে মিয়ানমার। তাদের অবস্থান ৩৫তম।

গ্লোবাল ফায়ার বিভিন্ন দেশের সামরিক খাতের তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণা করে প্রতি বছর এমন একটি তালিকা প্রকাশ করে; যেখানে সামরিক শক্তির দিক থেকে শক্তিশালী দেশগুলোকে ক্রমানুযায়ী সাজানো হয়।

২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি যে তালিকা প্রকাশ করেছিল সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৫৭তম। আর ২০১৮ সালে সেই অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৫৬তে।

প্রকাশিত গবেষণায় বাংলাদেশর সেনাবাহিনী নিয়ে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে;

বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী:

মোট সদস্য: ২ লাখ ২৫ হাজার

সক্রিয় সেনা সদস্য: ১ লাখ ৬০ হাজার

সংরক্ষিত সেনা সদস্য: ৬৫ হাজার

সামরিক বাহিনীর বিমান: ১৭৩টি

এয়ারক্রাফটের মধ্যে রয়েছে;

ফাইটার এয়ারক্রাফট: ৪৫টি

অ্যাটাক এয়ারক্রাফট: ৪৫টি

ট্রান্সপন্ডার: ৫৭টি

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী;

হেলিকপ্টার: ৬৪টি

কমব্যাট ট্যাংক: ৫৩৪টি

অ্যাটাক হেলিকপ্টার নেই

সাঁজোয়া যান: ৯৪২টি

সেলফ-প্রপেলড আর্টিলারি: ১৮টি

রকেট প্রজেক্টর: ৩২টি

সামরিক নৌযান মোট ৮৯টি। এর মধ্যে;

বিমানবাহী রণতরি নেই

ফ্রিগেট ৬টি

সাবমেরিন ২টি

প্যাট্রোল ভেসেল ৩০টি

মাইন ওয়ারফেয়ার ৫টি

এদিকে সুইডেনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট বা সিপ্রির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে;

বাংলাদেশে ২০০৭ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সামরিক খাতে ১২৩ শতাংশ ব্যয় বেড়েছে। ২০০৭ সালে বাংলাদেশে সামরিক খাতে ব্যয় ছিল প্রায় ৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। ২০১৭ সালে সামরিক খাতে ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

বিশ্বের সামরিক শক্তিধর দেশগুলো হচ্ছে;

১. যুক্তরাষ্ট্র, ২. রাশিয়া, ৩. চীন, ৪. ভারত, ৫. ফ্রান্স, ৬. ব্রিটেন, ৭. দক্ষিণ কোরিয়া, ৮. জাপান, ৯. তুরস্ক, ১০. জার্মানি,-সূত্র: বিবিসি।
এএস