রাজধানীর পল্লবীতে এক নারী শ্রমিক সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তাঁর নাম ঝর্ণা। তিনি একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

স্বজনদের ধারণা, আগে থেকে ঠিক করে রাখা বিয়ের প্রস্তাব না আসায় ঝর্ণা আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পল্লবীর এক বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, স্বজনরা ঝর্ণাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকের কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। রাত সাড়ে ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঝর্ণা পটুয়াখালী জেলার দশমিনা থানার চড়হোসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা।

ঢামেক হাসপাতাল  পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বাচ্চু মিয়া জানান,  ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ ঢাকা মেডিকেলের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত ঝর্ণার খালাতো ভাই মো. খলিল বলেন, একটি ঘর ভাড়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে থাকতেন ঝর্ণা। পাশে আরেক ঘরে তিনি ভাড়া থাকেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেচিয়ে ফাঁস দেন ঝর্ণা। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

খলিল আরো বলেন, ঝর্ণা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। সহকর্মী রাশেদের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের কথাবার্তার জন্য রাশেদসহ তার পরিবারের সদস্যদের ঝর্ণার বাসায় আসার কথা ছিল।

কিন্তু আসেনি। পরে জানা যায় ছেলেটির পরিবার বিয়েতে রাজি নয়। এ কারণে ঝর্ণা আত্মহত্যা করতে পারেন।

এমআর