টেকনাফে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে পৃথক কথিত বন্দুকযুদ্ধে ৪ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ি বলে পুলিশ ও বিজিবির দাবি। 

জানা গেছে, উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের পুরাতন মগপাড়ার কাকড়া প্রজেক্ট এলাকায় বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অজ্ঞতনামা দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ বেটালিয়ন ২ বিজিবি লে. কর্নেল আছাদুদ জামান। তবে নিহতদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

এদিকে একই উপজেলার হ্নীলা নয়াপাড়া এলাকায় দু’দলের মধ্যে গোলাগুলিতে দুই ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

নিহত দুইজন হলেন নজির আহমদ (৩৩) ও গিয়াস উদ্দিন। নজির টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার আবদুল জলিলের ছেলে। তিনি ডাকাত আবদুল হাকিম ডাকাতের ছোট ভাই। আর গিয়াস উদ্দিন হোয়াইক্যং নয়াপাড়ার হাজি জাকরিয়া ছেলে।

বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন-এসআই সুজিত চন্দ্র দে, এএসআই খায়রুল, কনস্টেবল এরসাদুল ও বেলাল উদ্দিন।

পুলিশ জানায়, হোয়াইক্যংয়ের বরতলী এলাকায় ইয়াবা বেচাকেনা হচ্ছে এমন গোপন খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে মাদক ব্যবসায়ীরা। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে পাচারকারিরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে ওই দুই জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাদের টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে গেল জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কক্সবাজারে রেফার করেন। কক্সবাজার নিয়ে যাওয়ার পথে তারা মারা যায়।

ঘটনাস্থল থেকে ৩টি দেশীয় অস্ত্র, ৪ রাউন্ড কার্তুজ, ২৩টি গুলির খোসা ও ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনা সত্যতা নিশ্চত করে টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, ‘লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’

জেড