চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় আরও ৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ১০ জন।

আজ মঙ্গলবার বিভিন্ন স্থান থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।

আজ  যাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন- সন্দ্বীপের সুরমা পাটোয়ারীর বাড়ির ছবিউল্লাহর ছেলে হাফেজউল্লাহ (৫০) ও কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সারবাং গ্রামের নূর আহমদের পুত্র শামসুল ইসলাম শাহীনের। এছাড়া মাইনউদ্দিন, নিজামউদ্দিন, কামারুজ্জামান, ইউসুফের লাশও উদ্ধার করা হয়।

সন্দ্বীপ থানার নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম জাকারিয়া জানিয়েছেন, আজ সকালে লোকজন দু’টি লাশ ভাসতে দেখে উদ্ধার অভিযানে থাকা নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের টিমকে খবর দিলে তারা লাশগুলো উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

গত রোববার সন্ধা ৭টার দিকে উপজেলার গুপ্তছড়া ঘাটে এ ট্রলারডুবির ঘটনায় এ পর্যন্ত ১০ জনের লাশ উদ্ধার করা হলো।

কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শহিদুল ইসলাম গতকাল জানিয়েছিলেন, সীতাকুন্ডের কুমিরা থেকে গত রোববার বিকেলে এমভি সালাম নামে একটি সি ট্রাক প্রায় ৩০০ যাত্রী নিয়ে সন্দ্বীপ যায়। এটি গুপ্তছড়া ঘাটের অদূরে নোঙর করার পর যাত্রীরা লাল বোটে উঠার সময় প্রচন্ড বাতাসের কারণে বোটটি ডুবে যায়।

এ সময় বোটটিতে ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিল। ইতোমধ্যে ২৫ জনের মতো জীবিত উদ্ধার হয়েছে। ঘটনাস্থলে কোস্টগার্ড টিম উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে।

এমবি