বন্ধ করে দেয়া হয়েছে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ির সেমুতাং গ্যাস ফিল্ডের ৬নং কূপের গ্যাস উত্তলোন। গত ৩ ডিসেম্বর কূপ থেকে গ্যাস উত্তলোন বন্ধ করে দিলেও এক সাপ্তাহ পরে তা প্রকাশ করা হয়।
সেমুতাং ফিল্ডে কর্মরত ও দায়িত্বরত ইনচার্জ প্রকৌশলী মো.এমরান হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই কূপটি বন্ধ করা হয়েছে।
পানির চাপ বেড়ে যাওয়ার ফলে হালদার পানি দূষণের আশঙ্কা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা পাওয়ার কারণে বাপেক্স ৩রা ডিসেম্বর থেকে ৬নং কূপটি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে চট্টগ্রামের অহঙ্কার ও সুপেয় পানির একমাত্র উৎসস্থল হালদা দূষিত হওয়ার হাত থেকে আপাতত রক্ষা পেল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
গ্যাস কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৩ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত পানি উঠায় তা নিয়ে এক পর্যায়ে বিপাকে পড়তে হয়। ফলে অপরিশোধিত পানি শোধনাগার উপচে আশে- পাশের জমি এবং হালদার পানিতে পড়তে থাকে। ফলে জমির ফসল, মাটি সহ পুরো হালদার পরিবেশ দূষিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে এবং বাপেক্স ৩রা ডিসেম্বর কূপটি বন্ধ করে দেয়।
হালদার মৎস্য গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মঞ্জুরুল কিবরিয়া বলেন, বিষয়টি নিয়ে বাপেক্স'র আগেই ভাবা উচিত ছিল। এতে হালদার যে ক্ষতি হয়েছে তা হয়তো হতো না।
উল্লেখ্য, মানিকছড়ি সদর থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে কালাপানি এলাকায় হালদার উজানে সেমুতাং গ্যাসফিল্ডটি অবস্থিত। এ গ্যাস ফিল্ডের ৫ নং কুপ থেকে ২০১১ সালের ডিসেম্বরে প্রথম গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়।
ইআর





