উজানের পাহাড়ী ঢলে নীলফামারীর তিস্তা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় থেকে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ৫২ দশমিক ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার)।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, উজানের ঢলে পানি বৃদ্ধির কারনে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি,গেট খুলে রাখা হয়েছে। তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা, জলঢাকা, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ ও হাতীবান্ধা উপজেলার নদী বেষ্টিত চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।

এদিকে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তার উজানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ডিমলা উপজেলার ৯নং টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চড় খড়িবাড়ী গ্রামের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত যৌথ বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে। গত দু’দিনে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধটিতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, বাঁধটি ভেঙ্গে গেলে তিস্তা পাড়ের ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়বে।

তাইতো এলাকাবাসী মাইকিং করে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা করছেন। বাঁধ নির্মানের মূল উদ্যোক্তা ময়নুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, এলাকার সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাঁধটির নির্মানের কাজ দেড় মাস আগে সম্পন্ন করা হয়।

এখন বাঁধটি রক্ষা করা না গেলে জেলার ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের একতার বাজার, চরখড়িবাড়ী, ঝিঞ্জির পাড়া, লালমনিরহাটে হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গুড্ডিমারী ও বাউরা ইউনিয়নের প্রায় ২০হাজার পরিবার এ বর্ষায় তিস্তার বন্যায় পানি বন্দি হয়ে পড়বেন। তাই এলাকায় মাইকিং করে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধটি রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এমআর