খুলনায় স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা দীপা (১৯) হত্যার অভিযোগে স্বামী মোঃ লিটু মোল্লা (৩০) ও তার ভগ্নীপতি মজিদ হাওলাদারকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার খুলনার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এস, এম সোলায়মান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণা কালে দণ্ডপ্রাপ্ত দু’আসামির মধ্যে নিহত দীপার স্বামী গোপালগঞ্জ জেলার তারগ্রাম এলাকার মইনুদ্দিন মোল্লার ছেলে মোঃ লিটু মোল্লা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। লিটুর ভগ্নীপতি মজিদ হাওলাদার পলাতক রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পিপি আরিফ মাহমুদ লিটন এজাহারের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, ২০০৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় খুলনা মহানগরীর খালিশপুরের বাবার বাড়ি থেকে স্বামী লিটুর সাথে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় দীপা। পরদিন দীপার লাশ নগরীর পার্শ্ববর্তী রূপসা ব্রিজ এলাকার জাবুসা বিল থেকে উদ্ধার করা হয়।

পরে দীপার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ খুলনা মেডিকাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।  ২৫ ফেব্রুয়ারি দীপার লাশের ছবি পত্রিকায় দেখে তার বাবা হারুন অর রশিদ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে সনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজমল হোসেন বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাহফুজ ২০০৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

এমই