হরতাল অবরোধ ও সরকারি ছুটিসহ টানা ৬ দিনের বন্ধের কবলে পড়ে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানিতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আমদানিকৃত পণ্যের পরিবহণ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ঢাকা ও চট্টগ্রামের শিল্প কলকারখানাগুলো পড়েছে বিপাকে। খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় সড়ক পরিবহণ শ্রমিকদের ডাকা ৪৮ ঘন্টার পরিবহণ ধর্মঘট ও জামায়াতের হরতালে সোমবার থেকে টানা ৪ দিনের বন্ধে বেনাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া আগামীকাল ও পরশু (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় এ স্থবিরতা আরো দুদিন থাকছে।
এ অবস্থায় বন্দরের দুই পারের সড়কে পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ লাইন পড়ে গেছে। বন্দর গোডাউন অভ্যন্তরে পণ্য ওঠানো-নামানো চললেও কোন পণ্যবাহী ট্রাক বন্দর ছেড়ে যায়নি।
এদিকে, টানা ৬ দিনের বন্ধের ফলে কাঁচামালের অভাবে দেশের শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, বেনাপোল বন্দর সিএনএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন।
অন্যদিকে, সোমবার থেকে টানা ছয়দিনের বন্ধের জালে আটকা পড়েছেন ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াতকারী যাত্রীরাও। হরতাল ও পরিবহণ ধর্মঘটে টানা চার দিনের বন্ধে বিপাকে পড়েছেন তারা। এ চারদিন বেনাপোল বন্দর থেকে কোন দূরপাল্লার যানবাহন ছেড়ে না যাওয়ায়, বেনাপোলে আটকা পড়েছেন ভারত-ফেরৎ এবং ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা যাত্রীরা।
বেনাপোল সিএনএফ এজেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ মফিজুর রহমান সজন জানান, টানা ছয় দিনের বন্ধের ফলে কাঁচামালের অভাবে দেশের শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীসহ ভারতগামী যাত্রীরা পড়েছেন দূর্ভোগে।
জেআই
এ অবস্থায়, আমদানি-রফতানি বাণিজ্যকে হরতালের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানান তিনি।
জেআই





