নড়াইলের কালিয়া উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের অফিসার শামসুর রহমানের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি,অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। টাকা যার জমি তার,ওই অফিসারের এই নীতি অনুসরনের কারণে ভুক্তভোগীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। যার কারণে শামসুর রহমানের বেআইনী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গত ৭মার্চ কালিয়ার কলাবাড়িয়া গ্রামের হরমুজ, নাহিদ, জাহাঙ্গীর ও সেলিম যশোর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্তদের লিখিত অভিযোগে জানা যায়, জেলার কালিয়া উপজেলার কলাবড়ীয়া মৌজার ৩১ ধারার মামলা নিষ্পত্তি অফিসার নিয়োগ পান শামসুর রহমান । তার দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কারণে প্রকৃত জমির মালিকরা রেকর্ড পাচ্ছেন না। জমির দলিলপত্র তার বিচারে বিবেচ্য বিষয় নয়। তার বিচারের বিবেচ্য বিষয় হলো নগদ টাকা । টার্গেট মোতাবেক টাকা না পেলে তিনি রায় দেননা বলে ভোক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। যেমন,কেসনং-২২৪৭১০/১৭, ২২৩৮৯৬/১৬, ২২৪৮৯৪/১৭ ও ২২৪৩৪৫/১৬ নং আপীল কেস তিনি তার প্রত্যাশা অনুযায়ী টাকা না পাওয়ায় রায় লিখছেন না বা দিচ্ছেন না বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, এই চারটি মামলা নিয়ে অফিসারের সাথে বাদী বিবাদীর রীতিমত দর কষাকশি চলছে। এভাবেই ৩১ ধারা কেস চলতে থাকলে ভোক্তভোগীরা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশংকা করা হচ্ছে। দুর্নীতিবাজ অফিসার শামসুর রহমানের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা । কালিয়া উপজেলার কলাবাড়ীয়া মৌজার ৩১ ধারা কেসগুলি স্থগিত রেখে এবং চলমান কেসগুলি তদন্ত সাপেক্ষে পূনরায় বিচার করার দাবি করেছেন ভোক্তভোগীরা।
এ প্রসঙ্গে সেটেলমেন্ট অফিসার শামসুর রহমান বলেন,‘তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়। এক শ্রেণির অসৎ লোক অপপ্রচার করে বেড়াচ্ছেন।
রিন্টু/জারিফ





