কুষ্টিয়ার সম্প্রতি তিনটি উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থদের অনেক পরিবার এখন কোনো সাহায্য না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

একদিকে ঘরবাড়ির ক্ষতি, অন্যদিকে জমির ফসল সম্পূর্ণ এবং আংশিক ক্ষতি হওয়ায় অনেক কৃষক পরিবারে এখন চাপা কান্না চলছে। পরবর্তি ফসল ঘরে না আসা পর্যন্ত অপেক্ষার সময়টুকুতে কীভাবে তাদের সংসার চলবে তা নিয়ে চিন্তার শেষ নেই।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যতসামান্য সাহায্য দেয়া হলেও তা সকলের ভাগ্যে জোটেনি। আবার দলীয় বিবেচনায় অনেক মানুষ সাহায্য সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিএনপি এবং জামায়াতের নেতাকর্মীদের মাথায় মামলার বোঝা থাকায় পুরুষেরা কেউ বাড়ি থাকতে পারছে না। বর্তমান অবস্থায় অনেক পরিবার তাদের ঘর বাড়ি মেরামত করতে না পারায় ওইসব পরিবারের নারী ও শিশুরা মানবেতর জীবনযাপন করছে।

কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানায়, গত ৪ ও ৫ এপ্রিলের কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে জেলার ৩টি উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এসব এলাকার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পাশাপাশি জমিতে থাকা ফসলের সম্পূর্ণ এবং আংশিক ক্ষতি হয়েছে।

জেলা ত্রাণ অফিস সূত্র জানায়, কালবৈশাখী ও শিলা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের জন্য নগদ ৬ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৪ লাখ টাকা এবং মিরপুর উপজেলায় ২টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়া জিআর চাউল সদর উপজেলায় ৩৫ মেঃ টন, মিরপুর ২৫মেঃ টন, দৌলতপুর ১০মেঃ টন, ভেড়ামারা ও খোকসা ৫মেঃ টন করে এবং কুমারখালী ১০মেঃ টন। এছাড়া এলাকার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে ৪০০মেঃ টন চাউল, ৪০ লাখ টাকা, জিআর ক্যাশ ২ হাজার ব্যান্ডিল টিন বরাদ্দ চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।

কেএইচ