মায়ানমারের কারাগারে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরেছেন ৩২ বাংলাদেশি।

মঙ্গলবার সকালে মায়ানমারের এক নম্বর পয়েন্ট অব এন্ট্রি অ্যান্ড এক্সিট এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-৪২ ব্যাটালিয়নের অপারেশন অফিসার ও মায়ানমারের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টের স্টাফ অফিসার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে এ ৩২ জনকে বিজিবির কাছে ফেরত দেয়া হয়।

এরা হলেন- চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার নয়াপাড়ার নুর মোহাম্মদ, একই এলাকার আবুল হাশেম, চুনতি এলাকার কামাল হোসেন, জসীম উদ্দিন, বাঁশখালী উপজেলার শেকেরখিল এলাকার আবদুল জব্বার, পটিয়ার চকরাশিল এলাকার মোহাম্মদ নুর, কক্সবাজারের খুরুশকুল এলাকার মোহাম্মদ রফিক, পাহাড়তলী এলাকার আজিজুর রহমান, আলীর জাহান এলাকার মোহাম্মদ ইদ্রিস, সমিতি পাড়ার মোহাম্মদ জুবায়ের, ঈদগাঁওয়ের আনোয়ার সাদেক, চকরিয়া উপজেলার জালাল আহমদ, মোহাম্মদ হোসেন, মোহাম্মদ ছালাম, টেকনাফের নয়াপাড়ার সৈয়দ হাসান, আবুল কালাম, টেকনাফের জালিয়াপাড়ার জাবের আলম, তুলাতুলি এলাকার আমির হোসেন, মাঝের পাড়ার ইয়াসিন, উত্তর বাহারছড়ার জিয়াবুল হক, কুলালপাড়ার ইসহাক, মহেশখালীয়াপাড়ার সাদ্দাম, হাবিবুল্লাহ, ডেইল পাড়ার জোবায়ের, ছলিম, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনচিপ্রাং এলাকার হোসেন, ইসমাইল, শাপলাপুরের সিরাজ, শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়ার দীন মোহাম্মদ, আবুল কালাম, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়ার মজনু মিয়া ও আবদুর রাজ্জাক।

বৈঠকে নেতৃত্ব দেন বিজিবির টেকনাফ-৪২ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পরিচালক মেজর নাজমুস সাদাত সৌম্য।

তিনি জানান, বাংলাদেশের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল এ বৈঠকে অংশ নেয়। মায়ানমারের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ইমিগ্রেশন স্টাফ অফিসার সহকারী পরিচালক ইউ হথিং হথিং।

পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের পক্ষে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম এবং কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের পক্ষে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মো. কবির হোসেন অংশগ্রহণ করেন।

তিনি আরও জানান, ফেরত আসা ৩২ বাংলাদেশিকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার জন্য টেকনাফ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেআই,