সাবধান নড়াইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর জরুরি বিভাগে নেশাগ্রস্থ ডাক্তার দিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা। শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. আত্তাফ উদ্দিন রণি দায়িত্ব পালন কালে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় রোগি দেখার সময় এলমেলো কথবার্তাসহ অস্পষ্ঠ ব্যবস্থাপত্র দেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসের কর্মচারি শহিদুজ্জামান মিঠু অভিযোগ করে বলেন, আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের পাঠানো তথ্য,ভিত্তিতে জানা যায় শনিবার বিকালে তার ছেলে আবরার শাহরিয়ার সাফি (১১) বিকালে খেলা করতে গিয়ে পা কেটে যায়। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগে নিলে কর্তব্যরত ডা. আত্তাফ উদ্দিন রণি নেশাগ্রস্থ অবস্থায় শিশু সাফিকে ঠিকমতো না দেখে ভুলভাল কথাবার্তা বলতে থাকে।

এ সময় তার ছেলেকে সঠিক ভাবে চিকিৎসা না দেওয়ার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা ও ভাইস চেয়ারম্যান কামাল হোসেন হাসপাতালে জরুরি বিভাগে উপস্থিত হন। তাদের কথাও কোন কর্ণপাত না করে নিজের ইচ্ছামতো নেশাগ্রস্থ ও শিশু সুলভ আচারণ করতে থাকে।

ঘটনা পরিক্রমায় লোহাগড়া হাসপাতালের টিএসও ডা. লুৎফুন নাহার এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ওই ডাক্তার এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিয়ে বসলেও সেখানে নেশাগ্রস্থ ডা. আত্তাফ উদ্দিন রণি কলম মুখে দিয়ে মাতাল অবস্থায় বসে থাকে।ডা. আত্তাফ উদ্দিন রণি এ ধরণের আচারণ ও চিকিৎসা সেবা অবহেলার কারণে তাকে অন্যত্র বদলির জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টিএসওকে অবহিত করেন।

উল্লেখ্য, বিগত বছর ২১ জুলাই জরুরি বিভাগে ওই নেশাগ্রস্থ ডা. আত্তাফ উদ্দিন রণি দায়িত্বে ছিলেন। সে দিনও তিনি রুগি না দেখে নেশা করে অসুস্থ্য অবস্থায় অন্য রুমে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় অসুস্থ এক রোগিকেও চিকিৎসাসেবা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন ডা. আত্তাফ উদ্দিন। বিষয়টি সাংবাদিকদের দৃষ্টিগোচর হলে তারা অসুস্থ রোগিকে চিকিৎসা দেয়ার কথা বলেন। তখন জরুরি বিভাগে অবস্থারনত ওয়ার্ডবয় মোনায়েব শেখ হঠাৎ করেই সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। 

উজ্জল/নাজিব