ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের হস্তক্ষেপের ফলে দিশা খাতুন দৃষ্টি নামের এক ছাত্রী বাল্যবিবাহের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের বল্লোই গ্রামের দুলাল সর্দারের মেয়ে দৃষ্টির বয়স এসএসসি সনদপত্র অনুযায়ী ১৬ বছর।
শুক্রবার পারিবারিকভাবে ভূরঙ্গমারি উপজেলার খয়বর আলীর ছেলে রজব আলীর সাথে দৃষ্টির বিয়ের আয়োজন করা হয়। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র মাহামুদুল হাসান সুজন জানতে পারেন যে দৃষ্টির বয়স ১৮ বছরের নিচে। তাই তিনি প্রথমে বিয়ে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় সুজন গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই এর কর্মকর্তা শওকত মাহমুদকে অবগত করেন।
অবশেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবেন্দ্রনাথ গুহ এসে বিয়ে বন্ধ করে দেন এবং ১৮ বছরের আগে বিয়ে না দেয়ার মুচলেকা নেন। ফলে উভয় পরিবার এ বিয়ে থেকে ফিরে যান এবং দৃষ্টি বাল্যবিবাহর হাত থেকে রেহাই পান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সুজন ছাত্রলীগের একজন নেতা। তিনি সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
ইআর





