এবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা ককটেল নিক্ষেপ করে আহত করেছে বাংলাদেশি এক গরু ব্যবসায়ীকে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই ব্যবসায়ীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার সকালে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যবসায়ীর নাম মাহবুবুল হক। তিনি পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের খেংটি গ্রামের সহিদার রহমানের ছেলে।

দুপুরে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা পতাকা বৈঠকের আহবান করলে কালক্ষেপন করে বিকাল ৩টায় বিএসএফ সাড়া দেয়। তবে ককটেল নিক্ষেপের বিষয়টি অস্বীকার করেছে বিএসএফ।

সীমান্ত সূত্র ও আহত বাংলাদেশির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের ১০৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পানিশালা বিএসএফ ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা বাংলাদেশের গরু ব্যবসায়ীদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলির পরিবর্তে এলোপাথাড়ি ককটেল ছুড়তে থাকে।

বিএসএফের ছোঁড়া ককটেল মাহবুবুল হকের বুকে লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় অপর গরু ব্যবসায়ীরা তাকে টেনে-হেঁচড়ে নিয়ে এসে প্রথমে ভর্তি করে দেয় পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে রমেক হাসপাতালে ঊন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়।

এ ব্যাপারে বিজিবির লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক শাফিউল আলম খাঁন ককটেল নিক্ষেপের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘দুপুরে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে পতাকা বৈঠকের আহবান জানানো হয়। বিকাল ৩টায় বিএসএফ পতাকা বৈঠকে আসে।

ওই বৈঠকে ককটেল ছোঁড়ার তীব্র প্রতিবাদ জানানোর এক পর্যায়ে বিএসএফ কর্মকর্তারা ককটেল নিক্ষেপের বিষয়টি অস্বীকার করে।

বৈঠকে ভারতের পানিশালা ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার এম রায়, বাংলাদেশের পক্ষে বুড়িমারী ক্যাম্পের সুবেদার শামসুল হক উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা, ২৫ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই