সাভারে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনায় ৪৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আধিপত্য বিস্তার ও বিআরটিএর ট্রেনিং মাঠ দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হওয়া এ মামলা কর হয়।
সংঘর্ষের সময় গুরুতর আহত সাভার কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ও ছাত্রলীগ কর্মী শাকিলের মা শাহনাজ বেগম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে সাভার মডেল থানায় এ মামলা করেন।
মামলায় সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক উত্তম সাহাকে প্রধান আসামি করে আরো ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) আব্দুল মোতালেব জানান, সাভার মডেল থানায় সংঘর্ষের একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াকিন গ্রুপের সঙ্গে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আতিক গ্রুপের মধ্যে বেশ কিছু দিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও বিআরটিএর ট্রেনিং সেন্টারের মাঠ দলকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল।
বুধবার সকালে আতিক গ্রুপের এক কর্মীকে মারধর করেন ইয়াকিন গ্রুপের লোকজন। পরে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুপুর ৩টার দিকে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আতিক তার লোকজন নিয়ে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এনাম মেডিকেলের সামনে থাকা ইয়াকিন গ্রুপের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এ সময় পাল্টা জবাবে ইয়াকিন গ্রুপের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালালে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ গুলি ছুড়লে এলাকায় চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে উভয় দু'গ্রুপের কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। এদের মধ্যে শাকিল (১৮) নামের আতিক গ্রুপের ছাত্রলীগ কর্মী গুরুত্বর আহত হন। এ ঘটনায় শাকিলের মা শাহনাজ বেগম বাদী হয়ে ছাত্রলীগের ৪৬ নেতাকর্মীর নামে সাভার মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন
কেএইচ





