পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে দেশের দক্ষিণবঙ্গগামী ২১ জেলার ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের প্রচণ্ড চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিধিনিষেধ শিথিলের চতুর্থ দিন আজ (১৮ জুলাই) রোববার সকাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় যানবাহনে চড়ে যাত্রীরা ঘাটে উপস্থিত হচ্ছেন।
ঘাটে আসা যাত্রীরা ফেরি ও লঞ্চযোগে পদ্মা পারাপার হচ্ছেন। প্রত্যেকটি লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে করোনার কথা ভুলে গাদাগাদি করে পারাপার করছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বাড়ায় ফেরিতে যানবাহন পারাপারে বেগ পেতে হচ্ছে। এতে ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি যাত্রীবাহী বাসসহ রয়েছে ৫ শতাধিক গাড়ি। বাড়তি গাড়ির চাপে ব্যক্তিগত ও গণপরিবহনে আসা যাত্রীদের নদী পারাপারে অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘ সময়।
করোনা মহামারীতে সামাজিক দূরত্ব, মাস্ক পরা এবং প্রয়োজন ছাড়া না বের হওয়া কোনোটাই মানছে না ঘরমুখো মানুষগুলো।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ) শিমুলিয়া নদী বন্দর কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, ১২টি ফেরি ও ৮২টি লঞ্চ সচল রয়েছে।
বিআইডাব্লিউটিএ’র শিমুলিয়াঘাটের সহকারী উপ-মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, ১২টি ফেরি চলাচল করছে। পণ্যবাহী গাড়ি ও ব্যক্তিগত ছোট বড় ৫০০ গাড়ি পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব যানবাহন পারাপার করা হবে। লঞ্চ চালু হওয়ায় ফেরিতে যাত্রী চাপ কমেছে। তবে গণপরিবহন ও প্রচুর ব্যক্তিগত গাড়ি ঘাটে আসায় পণ্যবাহী ট্রাকে পারপারে বেগ পেতে হচ্ছে।
এমবি





