বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কোন ভিত্তিতে মো. আজিজুর রহমানকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা জানতে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছ থেকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। একই সঙ্গে উক্ত কর্মকর্তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যে কোনো অসঙ্গতি আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে ঢাকা মহানগর পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, দায়েরকৃত মামলায় আটক রিকশাচালকের সম্পৃক্ততা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সম্প্রতি সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১৭৩(এ) ধারার আলোকে দ্রুততম সময়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানায় সরকার।
এর আগে একই দিন দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ধানমন্ডি ৩২ থেকে আটক করার পর আজিজুর রহমানকে গত ১৬ আগস্ট আদালতে পাঠানো হয়। তিনি এপ্রিল মাসে দায়ের হওয়া একটি মামলার সন্দেহভাজন আসামি ছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে আটক আজিজুর রহমানকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আসলে তিনি যে মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন তা দণ্ডবিধির (পেনাল কোড) অধীনে একটি নিয়মিত মামলা। কিন্তু এটিকে হত্যা মামলা হিসেবে প্রচার করা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক বলে দাবি করে ডিএমপি।
এনএইচ