প্রথম ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করার পর ফুটবল মহলে নানা সমালোচনা হলেও ব্রাজিলের হাইপ্রোফাইল ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি অবশ্য কোনো রকম আতঙ্কের মধ্যে নেই। ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, উদ্বোধনী ম্যাচে ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সির বাড়তি মানসিক চাপ হয়তো তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর কিছুটা প্রভাব ফেলেছিল, তবে প্রথম ম্যাচেই কেউ বিশ্বকাপ জিতে যায় না।

দলের ভুলগুলো শুধরে মাঠের ভারসাম্য ও চেনা ছন্দ ফিরিয়ে আনতে তিনি এই হাইতি ম্যাচকেই বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন এবং সেই লক্ষ্যে একাদশে কিছু কৌশলগত পরিবর্তনের আভাসও দিয়েছেন।

দুই দলের অতীত ইতিহাসের পরিসংখ্যান অবশ্য পুরোপুরি ব্রাজিলের পক্ষেই কথা বলছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এর আগে যে ৩ বার এই দুই দল মুখোমুখি হয়েছে, তার প্রতিটিতেই বিশাল ব্যবধানে জিতেছে সেলেসাওরা যার মধ্যে সর্বশেষ ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকায় হাইতিকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ব্রাজিল। কাগজে-কলমে ব্রাজিল বহুলাংশে এগিয়ে থাকলেও বিশ্বকাপের মঞ্চে যেকোনো অঘটন এড়াতে ভিনিসিয়ুসদের চেনা শৈল্পিক ফুটবল আর গোলবন্যা ফিরিয়ে আনার দিকেই তাকিয়ে আছেন বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ব্রাজিল সমর্থক।

বাংলাদেশের ব্রাজিল সমর্থকরা হাইতির বিপক্ষে সেলেসাওদের ম্যাচটি টেলিভিশনের পর্দায় খুব সহজেই উপভোগ করতে পারবেন। বাংলাদেশে বিটিভি, টি-স্পোর্টস ও সময় টিভি বিশ্বকাপের খেলাগুলো সরাসরি সম্প্রচার করছে। ব্রাজিল বনাম হাইতির ম্যাচটি দেখতে পারবেন এসব চ্যানেলেই।

ব্যস্ততার কারণে কিংবা হাতের কাছে টেলিভিশন না থাকায় অনেকেই হয়তো ভাবছেন খেলা দেখা মিস হয়ে যাবে। তবে প্রযুক্তির এই যুগে আপনার হাতের স্মার্টফোনটিই হতে পারে বিশ্বকাপ দেখার সেরা মাধ্যম। ঘরে-বাইরে, অফিসে কিংবা যাতায়াতের পথে মোবাইলে সামান্য সাবস্ক্রিপশনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানসহ ম্যাচ সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা।

টিভির বাইরেও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রয়েছে সুবিধা। নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে মোবাইল ফোন বা স্মার্ট ডিভাইসে ম্যাচ দেখতে পারবেন ভক্তরা। রবির মাই রবি অ্যাপ, বাংলালিংকের টফি এবং গ্রামীনফোনের বায়োস্কোপে থাকছে সরাসরি সম্প্রচার।

এদিকে যেসব দর্শক এসব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্রাজিল বনাম হাইতি ম্যাচটি দেখতে বিপাকে পড়বেন তারা নিজেদের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে বিভিন্ন অ্যাপ এবং ইউটিউব লাইভেও খেলা দেখতে পারবেন।

এমএম