আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষের মুখে তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণার পর এই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে বুধবার সকালে ১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
৪৮ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর অতিরিক্ত পরিচালক মেজর মো. ফজলুল করিম জানান, আইন-শৃঙ্খখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে মঙ্গলবার রাতে ১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বুধবার সকাল থেকে তাদের মাঠে নামানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত আশুলিয়ায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে বলেও তিনি জানান।
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে টানা ৮ দিন কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ চালিয়ে আসছিল শ্রমিকরা। অসন্তোষ নিরসনে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকও করে সরকার পক্ষ।
এরপরেও শ্রমিকরা কাজে যোগ না দেয়ায় বুধবার থেকে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের ৫৫টি কারখানা বন্ধের ঘোষণা দেয় বিজিএমইএ। বুধবার সকালে কারখানার প্রধান ফটকে এসে বন্ধের নোটিশ দেখে ফিরে গেছে শ্রমিকরা।
তবে র্যাব পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সদস্যের উপস্থিতির কারণে বুধবার সকাল থেকে বিক্ষোভ কিংবা অন্য কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারেনি শ্রমিকরা।
পরিস্থিতি শান্ত রাখতে বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কে যানচলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা জেলা পুলিশ। সড়কটির আশপাশের এলাকায় গণজমায়েত থেকেও বিরত থাকতে মাইকিং করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান বলেন, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত রাখার জন্য সব রকম ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মাইকিং করে শ্রমিকদের সচেতন করা হয়েছে।
এ নিয়ে কোনো বিশৃঙ্খলা মেনে নেয়া হবে না। বেতন বাড়ানোর ব্যপারে সরকারের যে নীতিমালা রয়েছে সেই অনুযায়ী বেতন বাড়বে। আন্দোলন কিংবা বিশৃঙ্খলা করে কোনো লাভ হবে না।
এমবি





