আগামী ১৫ মে’র মধ্যে সকল নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত না করা হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ঐক্যজোট।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনতিবিলম্বে এমপিওভুক্তির দাবিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ মো. এশারত আলী এ হুঁশিয়ারি দেন।
লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, অধিকাংশ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১০/১৫ বছরকাল ধরে এমপিওভুক্তির আশায় দিন গুনছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫ লাখের বেশি। বিনা বেতনে চাকরি করছে প্রায় এক লাখ ১৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে।
অধ্যক্ষ মো. এশারত আলী বলেন, নন এমপিও শিক্ষা (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি) প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির দাবিতে বিগত ৭/৮ বছর ধরে আন্দোলন করছি। রাজপথে নামলেই পুলিশের বিষাক্ত রাসায়নিক পিপার স্প্রে, টিয়ার সেল, গরম পানি, লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেটের শিকার হই। পুলিশের নির্যাতন ও পিপার স্প্রের বিষক্রিয়ায় পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার শিক্ষক মোহাম্মদ সেকেন্দার আলী মারা যান। শুধু তাই নয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত ও ফাতেহা পাঠ করতে গেলে সেখানে ৩৭ জন শিক্ষককে আটক করে পুলিশ।
তিনি আরো বলেন, গত বছরের ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির নির্দেশ দিলেও আজো পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন করা হয়নি।
তিনি বলেন, এক লাখ ১৫ হাজার নন-এমপিও শিক্ষক কর্মচারীর দাবি পূরণের লক্ষ্যে আগামী ১৫ মে’র মধ্যে সকল নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জোর দাবি করছি। অন্যথায় কঠোর কমসূচির মাধ্যমে এমপিও’র দাবি বাস্তবায়ন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিশ্ঠান কর্মচারী ঐক্যজোটের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম আলম ও জহুরুল হক সিরাজী প্রমুখ।
জেআই





