রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর যমুনা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুল চিকিৎসায় মিলি বেগম (২৪) নামে সন্তান প্রসবা এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ও রোগীর স্বজনেরা হাসপাতালটিতে ভাঙচুর চালিয়েছেন। শুক্রবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে।
যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রণজিৎ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মৃত মিলি বেগমের বড় ভাই বাবুল আলম খান অভিযোগ করে বলেন, আমার বোনকে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় গত ১৮ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করাই। সেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মিলি সন্তান প্রসব করে। তবে, জন্মের পরই সন্তান মারা যায়। এর কয়েকদিন পর ঢামেকের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মিলিকে সুস্থ ও আশঙ্কামুক্ত বলে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেন।
তিনি আরও বলেন, ঢামেক থেকে ছাড়পত্র নিয়ে এলেও অস্ত্রোপচারের সেলাই কাটা ও তত্ত্বাবধায়নের জন্য মিলিকে যাত্রাবাড়ীর যমুনা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এখানে তার তত্ত্বাবধায়নে থাকেন ডা. রওশান আরা পারভীন।
বড় ভাই বাবুল বলেন, আমার বোনকে প্রায় সুস্থ অবস্থায় যমুনা হাসপাতালে ভর্তি করাই। কিন্তু চার দিনের মাথায় ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মারা যায় আমার বোন। সে মারা যাওয়ার কিছুক্ষণ আগেও আমি তার সঙ্গে কথাবর্তা বলি। আমি দোষীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ বিচার দাবি করছি।
তিনি বলেন, মিলির স্বামীর নাম শাহীন কাজী। এ দম্পতির ঘরে পাঁচ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। ছোট এই ভাগনে তার মাকে হারিয়ে এতিম হয়ে গেলো।
এ ঘটনায় যেন থানায় একটি মামলা কারা না করা হয়, সেজন্য হাসপাতালের লোকজন ভূক্তভোগী পরিবার-স্বজনদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি থানা পুলিশও মামলা নিতে গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ করছে ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
এআই





