নড়াইল সদর উপজেলার মুলিয়া ইউনিয়নের বনগ্রামে সাবেক মুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান কালিপদ বিশ্বাস ও সনাতন বিশ্বাস সহ কয়েকটি বাড়িতে চাঁদার দাবিতে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। মুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ অধিকারীর ছেলে শেখর অধিকারীর নেতৃত্বে নড়াইল শহরের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়।
হামলাকারী সন্ত্রাসীরা নারীদের শ্লীলতাহানী করে চাঁদা দাবি ও ভয় ভীতি প্রদর্শন করে নির্যাতন চালায়। শুক্রবার (২৪জুন) সকালে ক্ষতিগ্রস্ত ও আাতঙ্কিত বনগ্রামের শতাধিক নারী পুরুষ জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোসের নিকট এ ঘটনার অভিযোগ দিলে তিনি মামলা করার পরামর্শ দেন।
এ ঘটনায় শুক্রবার (২৪জুন) বিকেলে নড়াইল সদর থানায় শ্লীলতাহানী,চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন উল্লেখ করে ১৪৩,৪৪৭,৪৪৮,৩২৩,৩৫৪,৩৭৯,৩৮৫ ও ৫০৬ ধারায় মামলা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ সনাতন বিশ্বাস বাদি হয়ে এ মামলা করেন।
মামলা নং-২৭। মামলার আসামিরা হলো-মুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ অধিকারীর ছেলে শেখর অধিকারী (৩০), সাতঘরিয়ার নিখিল মহন্তের ছেলে নিতিশ মহন্ত (৩০), মুলিয়া গ্রামের অনাথের ছেলে বঙ্গ (২৮),কোড়গ্রামের নিত্য বিশ্বাসের ছেলে তারক বিশ্বাস (২৮), নড়াইল গ্রামের সাদেকের ছেলে সবুজ (২৯) ও মিজানুরের ছেলে রকিব (২৮)।
পুলিশ ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, জমি কেনাবেচার টাকা আদায়ের অজুহাতে শহরের ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নিয়ে শেখর নিরীহ হিন্দুদের ওপর হামলা চালিয়ে চাঁদা দাবি করে।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই ভবতোষ জানান, ঘটনাস্থল থেকে নড়াইল পৌরসভার কাউন্সিলর তুফান সহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছিল। তুফানকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বাকী দু’জন সবুজ ও রকিব কে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে ক্ষতিগ্রসস্তরা আাশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান কাউন্সিলর তুফানকে ছেড়ে দেয়া এবং হামলাকারি সন্ত্রাসীদের নিকট থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় পুনরায় হামলা করতে পারে ওই সন্ত্রাসী চক্র।
পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম জানান, চেয়ারম্যানের ছেলে বলে কেউ পার পাবে না। ঘটনার সাখে জড়িতদের দ্রুতই গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমআইএস





