কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বগুড়ার বিদ্যুৎ সরবরাহ। শহরের কিছু অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলেও বেশিরভাগ এলাকা রয়েছে এখনও অন্ধকারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও ১৫ দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
শনিবার সন্ধ্যায় ১২ মিনিটের কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বিদ্যুৎ বিভাগের ক্ষতি হয়েছে কোটি টাকার উপরে। এখন পর্যন্ত শতাধিক বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ে থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা যাচ্ছে না। রোববার সন্ধ্যা থেকে শহরের কিছু অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলেও বেশিরভাগ এলাকা রয়েছে অন্ধকারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় কালবৈশাখী ঝড়ে বগুড়া শহর ও এর আশেপাশে দুই শতাধিক বৈদ্যুতিক খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোনোটি উপড়ে পড়ে যায় আবার কোনোটি মাঝামাঝি ভেঙে যায়। অনেক এলাকায় বড় গাছ, টিনের চালা বৈদ্যুতিক তারের উপর পড়ে তার ছিড়ে যায়। ফলে শনিবার সন্ধ্যা থেকেই পুরো জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ করা বিদ্যুৎ লাইনের পড়ে যাওয়া পাঁচটি খুঁটি পুনঃস্থাপনের পর রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত শহরের ২০ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এখনও শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে আছে।
রোববার সকাল থেকে এসব অপসারণ কাজ শুরু হলেও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে কমপক্ষে ১৫ দিন। আগামী তিন দিনের মধ্যে শহর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা গেলেও গ্রাম এবং উপজেলা পর্যায়ে ১৫ দিনের আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নযন বোর্ড ডিভিশন-৩ এর নির্বাহি প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলাম।
ডিভিশন-১ ও ডিভিশন-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলীরাও একই তথ্য দিয়ে জানান, ইতিপূর্বে বগুড়ায় কখনও বিদ্যুতের এ ধরনের বিপর্যয় ঘটেনি। ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের কাজ চলছে। তবে ক্ষতির পরিমান কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন তারা।
জেআই





