মাগুরাতে পেঁয়াজের দাম তেমন না কমলেও সবজি হিসেবে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের পাতা। আর আমদানি ও দেশি পুরাতন এবং নতুন (মুড়িকাটা) -এই ৩ ধরনের পেঁয়াজের মূল্যই স্থিতিশীল রয়েছে মাগুরার বাজারগুলোতে।
গতকাল বিকেলে ও আজ (১১ ডিসেম্বর) বুধবার সকালে মাগুরার বিভিন্ন বাজারে দেখা যায় আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২২০ টাকা কেজি দরে। পুরাতন পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি হযেছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকা পর্যন্ত।
এ দিকে, গত সপ্তাহের চেয়ে সবজি হিসেবে বেশ কম দামে বিক্রি হযেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির পাতা।
মাগুরার বিভিন্ন বাজারে গত সপ্তাহে যেখানে প্রতি কেজি কালি বিক্রি হয়েছিলো- ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, আর ডাটাসহ পাতা বিক্রি হয়েছিলো- ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। সেখানে বর্তমানে প্রতি কেজি কালি বিক্রি হচ্ছে- ২০ থেকে ৩০ টাকায়, আর ডাটাসহ পাতা বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে।
মাগুরার পুরাতন ও নতুন বাজার, ভায়নামোড়, পুলিশ লাইন, ইটখোলা, ইছাখাদা ও শ্রীপুরের ট বাজার, খামার পাড়া ও লাঙ্গলবাঁধ বাজার ঘুরে ও খোঁজ নিয়ে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
শ্রীপুরের নবগ্রাম এলাকার পেঁয়াজ চাষি শফিকুল ইসলাম জানান, আমাদের মাঠের নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ কয়েক দিনের মধ্যে পুরোদমে তোলা শুরু হয়ে যাবে, তখন বাজারে পেঁয়াজের মূল্য স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আমরা আসা করছি।
এদিকে এক তথ্য মতে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বলছে, গত সপ্তাহের চেয়ে এই সপ্তাহে পেঁয়াজের মূল্য বেড়েছে। টিসিবির হিসাবে, গত এক মাসে আমদানি করা পেঁয়াজের মূল্য বেড়েছে ৩২ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে এই পেঁয়াজের মূল্য বেড়েছে ৫২০ শতাংশ। তবে এক মাসের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের মূল্য বেড়েছে ৯১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আর এক বছরের ব্যবধানে এই পেঁয়াজের মূল্য বেড়েছে ৬২৩ শতাংশ।
টিসিবি বলছে, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে দেশি পেঁয়াজের মূল্য ছিল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। এক বছর পরে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি দরে। যার প্রভাব মাগুরাতেও পড়েছে।
সাইফুল্লাহ/এমবি





