কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর প্রথম ময়নাতদন্তে ধর্ষণের কোন আলামত পাওয়া যায়নি বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
সোমবার এই হত্যাকাণ্ডের ১৫ দিন পর প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক দল।
আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত হয়েছে চার দিন আগে। সেই প্রতিবেদন এখনও পাওয়া যায়নি।
কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কেপি সাহা বলেন, প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ধর্ষণের আলামত নেই। মৃত্যুর সুনির্দিষ্টকারণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা যায়নি। শরীরে যে দুটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে তা মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট কারণ নয়। এছাড়া ভিসেরা প্রতিবেদনে কোনো বিষক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তিনি আরো বলেন, ২১ মার্চ ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. শারমিন সুলতানা প্রথম ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসের অলিপুর এলাকায় ২০ মার্চ রাতে একটি কালভার্টের কাছ থেকে তনুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
তনুর বাবা ইয়ার হোসেন কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলাটির তদন্ত এখন ডিবি করবে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী তনু কলেজ থিয়েটারে যুক্ত ছিলেন। তিনি টিউশনি করে ফেরার পথে খুন হন।
এমবি





