জাতিসংঘের নেতৃত্বে আগামী ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর যে স্থায়ীত্বশীল উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০ চূড়ান্ত হতে যাচ্ছে, আমাদের দেশে তার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নাগরিক সমাজ ও সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করার জন্য সরকারে প্রতি আহবান জানিয়েছে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র)।
দেশের স্থায়ী উন্নয়নে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা তৈরীতে এর কোন বিকল্প নেই উল্লেখ করে বলা হয়, ২০১৫ থেকে '৩০ সাল পর্যন্ত যে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পরিকল্পণা চূড়ান্ত হচ্ছে তা আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ জানেই না। কারণ সরকার বিশদভাবে জনগণের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেনি।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘স্থায়ীত্বশীল উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০: নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সংলাপ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলা হয়। দেশের ৪৩টি জেলাতে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় শেষে মঙ্গলবার গণমাধ্যমের সঙ্গে এ সংলাপের আয়োজন করে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র)।
একটি প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও জেন্ডার সমতাভিত্তিক সুষম উন্নয়নমূলক সমাজ গঠনই এই স্থায়ীত্বশীল উন্নয়ন এজেন্ডার মূল প্রতিপাদ্য হওয়া উচিত বলে মত প্রকাশ করেন বক্তারা। দুর্নীতি, অসচ্ছতা ও জবাবাদিহিতার অভাবে দেশের স্থায়ী উন্নয়ন তরান্বিত হয় না বলেও অভিযোগও উঠে এসেছে এই সংলাপ থেকে।
সংলাপে আরো বলা হয়, স্থায়ী উন্নয়ন বাস্তবায়নে জনসম্পৃক্ততার বিকল্প নেই। প্রয়োজনে এই পরিকল্পণা বাস্তবায়নে সবাইকে সম্পৃক্ত করে সরকারকে একটি জাতীয় কমিটি গঠনসহ বেশ কিছু সুপারিশ ও তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সুপ্র পরিচালক এলিসন সুব্রত বাড়ৈ।
এমএ/ এআর





