অসুস্থতা ও আর শীত কিছুই ধমিয়ে রাখতে পারেনি সুবর্ণচরে নির্বাচনী প্রচারণা।
ভোরের কুয়াশা উপেক্ষা করে দিনভর সুবর্ণচরে কয়েকটি নির্বাচনী পথসভায় অংশগ্রহন করতে হাজির হন নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী একরামুল করিম চৌধুরী।
মঙ্গলবার ঘড়ির কাটা তখন সকাল ১০টা। সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, নেতাকর্মীরা এসে জড়ো হচ্ছে সুবর্ণচরের আল আমিন বাজারের নির্বাচনী পথসভা মঞ্চে। সাদামাটা গেঞ্জি পরে হাজির হয়েছে নৌকো প্রার্থী একরাম।
পথসভা মঞ্চে উঠে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়ে ৩০মিনিটে গ্রামে মেঠোপথ ধরে চলে যান উপজেলার ৫নং চর জুবিলি ইউপির ডোগার স্কুলের পাশে নির্বাচনী পথসভা মঞ্চে।
সেখানে পৌঁছে নারী পুরুষের ফুলেল ভালোবাসায় মুগ্ধ তিনি। সবাই যেন আপন জনকে কাছে টেনে আলিঙ্গন। একরামুল করিম চেীধুরী মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে বক্ততার শুরুতে আবেগে আপ্লুত হয়ে বলে সুবর্ণচরের মানুষ যে ভালোবাসা আমাকে দিয়েছে তা আমি চিরদিন মরে রাখবো।এই চরের গরিব মেহনতি মানুষ আমাকে তাদের সর্বোচ্চ ভালোবাসা দিয়েছে। এই গ্রামে ছদ্দ ভেসে এসে আমি কখনো খালি মুখে যাইনি।
তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সালে আপনারা আমাকে ছিনতেন না, জানতেন না আমি একজন কৃষকের ছেলে, হাজী ইদ্রিসের ছেলে তারপরও আপনারা আমাকে এমপি বানিয়েছেন। সুবর্ণচরে ১০ বছরে যে দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছি তা এর আগে কেউই করতে পারেনি।
ভোটারের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন, আমি আগে যা বলেছি তা করেছি উপস্থিত সবাই হাত উঁচু করে বলেন জ্বী করেছেন। একরামুল বলেন,আপনারা আমাকে এই বার নির্বাচিত করলে আমি জেলা সদর থেকে সুবর্ণচর হয়ে চেয়ারম্যান ঘাট পর্যন্ত রেল লাইনের ব্যবস্থ করে দেব।। ৬মাসের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুত নিশ্চিত করবো বন্দর, বিমান বন্দর, সুবর্ণচরে বিশেষ অর্থনৈতিক জোন গড়ে তুলবো।
সকাল থেকে আল-আমিন বাজার, হাদালার দোকান, ডোগার বাজার, চর মহি উদ্দিন, জিয়ার চর, ব্যারাক, ২৪নং দিঘি, পাংকার বাজার, হানিফ চেয়ারম্যান বাজার, খলিল চেয়ারম্যান বাজার এবং সন্ধ্যায় হারিছ চৌধুরীর বাজারে পথসভা করেন।
পথসভায় চর মহি উদ্দিন ইউপি’র ২শত নেতাকর্মী এবং এর আগে ধর্মপুর ও অর্শদিয়া কালা দরাপে প্রায় ১হাজার নেতাকর্মী যোগদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাওলা লিটন, শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো.ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মো.হানিফ চৌধুরীসহ নেতাকর্মীরা।





