বকেয়া মজুরি, পাটখাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দসহ ৫ দফা দাবিতে খুলনায় রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকরা তৃতীয় দিনের মতো সড়ক ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় এ অবরোধ। চলবে দুপুর ২টা পর্যন্ত।

নগরীর খালিশপুর নতুন রাস্তার মোড়, আটরা গিলাতলা শিল্পাঞ্চল ও যশোরের রাজঘাট এলাকায় রাষ্ট্রায়কত্ত জুট মিল সিবিএ-ননসিবিএ ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করছেন শ্রমিকরা।

অবরোধ চলাকালীন সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন সংগঠনের আহ্বায়ক সোহরাব হোসেন।

খালিশপুরের প্লাটিনাম, ক্রিসেন্ট, দিঘলিয়ার স্টার, আটরা শিল্প এলাকার আলীম, ইস্টার্ন, নওয়াপাড়া শিল্প এলাকার জেজেআই ও কার্পেটিং জুট মিলের অন্তত ৩৫ হাজার শ্রমিক মিল বন্ধ করে এ অবরোধ পালন করছেন।

এদিকে, শ্রমিকদের অবরোধের ‍কারণে এসব এলাকার সড়কে ব্যাপক যানজট দেখা দিয়েছে। বন্ধ রয়েছে রেল যোগাযোগ।

রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল সিবিএ-ননসিবিএ ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম জমাদ্দার বলেন, ৫ দফা দাবিতে রাষ্ট্রায়ত্ত ৭টি মিলের শ্রমিকরা এ কর্মসূচি পালন করছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানান।

সংগঠনের সদস্য সচিব এসএম জাকির হোসেন পাট শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে অবিলম্বে মিলগুলোকে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনমুখী করতে পাটখাতে প্রয়োজনীয় অর্থ ছাড়, পে-কমিশনের ন্যায় অবিলম্বে শিল্প শ্রমিকদের জন্য মজুরি কমিশন বোর্ড গঠন, ২০১৩ সালের ১ জুলাই ঘোষিত ২০ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা প্রদান এবং খালিশপুর, দৌলতপুর, কর্ণফুলী জুট মিলের শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ীকরণসহ সব পাওনা পরিশোধের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।

এর আগে রোববার ইস্টার্ন জুট মিলস এলাকায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বাংলাদেশ রাষ্ট্রায়ত্ব জুটমিল সিবিএ-ননসিবিএ ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ও তিনদিনের রাজপথ-রেলপথ অবরোধের ডাকা দেওয়া হয়। সোমবার সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু হয়।

এমবি