পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার শিংরোড রতনিবাড়ি সীমান্ত এলাকার যমুনা নদী থেকে অপহৃত বাংলাদেশী জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভোরে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষিবাহিনী (বিএসএফ) তাকে ওই সীমান্ত থেকে ধরে নিয়ে যায়। আজ শুক্রবার দুপুরে বিএসএফ তার লাশ ওই নদীর ভারতীয় অংশে ফেলে দেয়।
উদ্ধারকৃত জেলের নাম আক্তারুল ইসলাম ওরফে নেন্দ (৩০)। সে ওই সীমান্তের প্রধানপাড়া গ্রামের হেমত আলীর পুত্র।
খবর পেয়ে পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আরিফুল হক, পঞ্চগড় থানার ওসি হুমায়ুন কবীরসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান।
এলাকাবাসি ও তার পরিবারের লোকজন জানায়, বৃহস্পতিবার ভোরে সে ওই সীমান্তে মাছ ধরতে গেলে ভারতীয় বিএসএফের সাকাতিপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফ দুদফায় পতাকা বৈঠক করে। বৈঠকে বিএসএফ আক্তারুলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে। কিন্তু আজ দুপুরে বিএসএফের একটি লাল গাড়ি ওই সীমান্ত এলাকার যমুনা নদীর ভারতীয় অংশে আক্তারুলের লাশ ফেলে দেয়।
এসময় এলাকাবাসি এ দৃশ্য দেখতে পায়। বাংলাদেশের অভ্যান্তরে মৃতদেহ ভেসে আসলে এলাকাবাসিরা বিজিবি ও পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে শিংরোড বিজিবি ক্যাম্প ও পঞ্চগড় থানা পুলিশ নদী থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।
আক্তারুলের ভাই সফিয়ার রহমান বিএসএফ তাকে নির্যাতন করে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।
পঞ্চগড় থানার ওসি হুমায়ুন কবির লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল আরিফুল হক বিজিবি’র পক্ষ থেকে এ ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
ঢাকা, ২২ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ





