অবশেষে ফেসে যাচ্ছেন রাজউকের প্রভাবশালী সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নূরুল হুদা। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী দুর্নীতিপরায়ণ অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খানের আজ্ঞাবাহ বলে খ্যাত ছিলেন প্রকৌশলী নূরুল হুদা।
অভিযোগ রয়েছে, গত ৫ বছরে সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান খান এবং রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হুদার বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। তারা রাজউকে দুর্নীতি,অনিয়ম, জালিয়াতি এবং লোপাটের আখড়ায় পরিনত করেন।
১৭ জুন কমিশনের নিয়মিত সভায় সাবেক প্রতিমন্ত্রীর পাশাপশি রাজউকের সাবেক চেয়ারমানের অবৈধ সম্পদ ও নানা দুর্নীতি খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)।
একই সঙ্গে দুদকের উপ-পরিচালক যতন কুমার রায়কে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেয়া হয়।
দুদক সূত্র জানায়, নূরুল হুদার বিরুদ্ধে গত ৫ বছর রাজউকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে প্লট বরাদ্দ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়া এবং হাউজিং কোম্পানিকে নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
চলতি বছরের রাজউকের বোর্ড সভায় বেশ কয়েকটি প্লট ও খাস জমি বরাদ্দ দিয়ে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তার বিপুল অবৈধ সম্পদের বিষয়টি নিয়ে নানা গুনঞ্জন শুরু হয় অনেক আগে থেকেই।
এ বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান বলেন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হুদার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ পাওয়া যায়। দুদক এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়।
ঢাকা, একে ১৯ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ
জাতীয়
অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক; ফেঁসে যাচ্ছেন নূরুল হুদা
অবশেষে ফেসে যাচ্ছেন রাজউকের প্রভাবশালী সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নূরুল হুদা। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী দুর্নীতিপরায়ণ অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খানের আজ্ঞাবাহ বলে খ্যাত ছিলেন প্রকৌশলী নূরুল হুদা।





