ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

রোববার (১৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টায় তিস্তা ব্যারাজে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার।

তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শনিবার (১৬ জুলাই) দিবাগত গভীর রাত থেকে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করে। রোববার রাত সাড়ে ৯টায় পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার।

এ পয়েন্টে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ধরা হয় ৫২ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার। ফলে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটারের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি।

ফলে তিস্তার তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল সৃষ্ট বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট একই সঙ্গে খুলে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তার তীরবর্তী গ্রামগুলোর প্রায় পাঁচ হাজার পরিবারের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়া পানি বৃদ্ধির সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে নদী ভাঙনও।

তিস্তার তীরবর্তী আদিতমারীর গোবর্দ্ধন গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়া জানান, রোববার বিকেলে গোবর্ন্ধন ও বালাপাড়া গ্রামের প্রায় পাঁচটি বাড়ি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে সোমবার দুপুর নাগাদ ওই গ্রামের আরও ১৫/২০টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন ওই গ্রামের বাসিন্দারা।

এমই