মাদারীপুরে দুই স্কুলছাত্রী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় আরেক আসামি রকিব শিকদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার সকালে সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের ত্রিভারদী গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতারকরা হয়।

এ নিয়ে ওই মামলায় তিনজনকে গ্রেফতারকরা হলো। গত বৃহস্পতিবার ঘটনার দিনই শিপন শিকদার (১৮) ও রফিক শিকদার (২১) নামের দুজনকে আটক করে পুলিশ।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন-মেহেদি (২০), রানা (২০), উজ্জ্বল (২৬) ও সাজন (১৮)। মামলায় অজ্ঞাত আরও সাত-আটজনকে আসামি করা হয়েছে।

মাদারীপুর সদর থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বারেক করিম আরেক আসামি রকিবকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সদর থানায় এক আত্মীয়ের বাসা থেকে রকিবকে গ্রেফতারকরা হয়।

নিহত দুই স্কুলছাত্রীর স্বজনেরা ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ করে আসছেন শুরু থেকে। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের এক দিন পর গতকাল শুক্রবার মামলা হলেও ধর্ষণের অভিযোগ নেয়নি পুলিশ। স্বজনদের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ রাতভর তাঁদের থানায় আটকে রেখেছিল।

মাদারীপুর জেলা পুলিশ আটকে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, মেয়ে দুটির পূর্বপরিচিত তরুণেরা পরিকল্পিতভাবে বিষমিশ্রিত কোমল পানীয় পান করিয়ে তাদের হত্যা করেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ধর্ষণের আলামত না পাওয়ায় এ অভিযোগটি মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

গত বৃহস্পতিবার মাদারীপুরের মস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির দুই ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার ও হ্যাপি আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ওঠে। গতকাল দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষ হলে সুমাইয়ার বাবা বিল্লাল শিকদার বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে মাদারীপুর সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতারকরা হয়েছে।

কেএইচ