রাজধানীর মুগদা এলাকা থেকে ওয়াহিদুর রহমান (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন। তার বাবার নাম মৃত আব্দুর রব। লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জের ফতেহপুর গ্রামে তাদের বাড়ি। তিনি রামগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক বলে জানা গেছে।

তার স্ত্রী তামান্না আক্তার জানান, গত দেড় বছর আগে পরিবারের অমতে তাদের বিয়ে হয়। এরপর থেকে তাদের বাড়িতে স্বামীকে উঠাতে পারছিলেন না। এজন্য বিভিন্ন সময়ে ঢাকায় এসে তার স্বামী দেখা করে যান। গতকাল শুক্রবার রামগঞ্জ থেকে তার স্বামী ওয়াহিদুর রহমান ঢাকায় আসেন। এরপর মুগদা থানাধীন ঝিলপাড় এলাকায় তাদের বাসার সামনে আসেন তিনি। পরে তিনি বাসার বাইরে গিয়ে স্বামী ওয়াহিদুর রহমানের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন। এসময় তার মা বাসা থেকে তাকে ডাকেন। তখন তার স্বামীকে রাস্তায় দাঁড়াতে বলে বাসায় যান। এর কিছুক্ষণ পর তিনি ফিরে এসে দেখেন তার স্বামী সেখানে নেই। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। গভীর রাতে এক ব্যক্তি তার ফোনটি রিসিভ করলেও পরে বন্ধ করে দেয়।

তামান্না বলেন, বিষয়টি ওয়াহিদুর রহমানের পরিবারকে জানান। কিন্তু তারাও আমাকে বলছেন, তুমিই ওয়াহিদুর রহমানকে আটক করে রেখেছো। পরে মুগদা থানায় জিডি করতে যাওয়া হলেও পুলিশ আমার অভিযোগ না নিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে টিস করে। এরপর তারা বলেছেন, তোমরা খোঁজ কর। খোঁজ করে কোথাও না পেলে থানায় যেতে বলা হয়।

এ ব্যাপারে মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, তামান্না নামের মেয়েসহ কয়েকজন থানায় এসেছিল। তাদের স্যুয়ারেজ লাইন নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে তার স্বামী নিখোঁজের ঘটনা বলা হচ্ছে। তবে তামান্না এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এমএম