সদ্য সমাপ্ত সিটি নির্বাচনে দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সফল হয়েছে বলে জানিয়েছেন সহস্র নাগরিক কমিটির আহবায়ক গোলাম কুদ্দুস।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সহস্র নাগরিক কমিটি আয়োজিত ঢাকা উত্তর- দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন্নোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গোলাম কুদ্দুস বলেন, আমরা প্রত্যক্ষ করেছি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে নির্বাচনী কার্যক্রম ও প্রচারাভিযান হয়েছে। কিন্তু কতিপয় কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে, ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেয়। তারপরও ১৯৮২টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে সর্বাধিক ২০টি কেন্দ্রে এ ধরনের অনভিপ্রেত অনিয়মের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
যেই সমস্ত কেন্দ্রে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে তদন্ত পূর্বক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানাচ্ছি।
সুষ্ঠু নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রফেসর কামরুল হাসান বলেন, নির্বাচন মানেই হচ্ছে সহিংসতা, হত্যা কিন্তু এই নির্বাচনে সে রকম কোনো কিছুই দেখিনি।
তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচন বর্জনের কোনো কারণ দেখিনা। তারা যদি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকতো তাহলে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই হতো।
বিএফইউজির সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল বলেন, একটি আদর্শ নির্বাচনের জন্য যে সূচক গুলো দরকার তার সবই ছিলো এই নির্বাচনে। বিভিন্ন জায়গায় যে ঘটনাগুলো ঘটেছে তা মাত্র ২ শতাংশ।
তিনি বলেন, কোথাও যদি সুনির্দিষ্ট কোনো ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে নির্বাচন কামিশনকে জানালে তারা ব্যবস্থা নেবে।
কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এবং নির্বাচনে সিইসির ভূমিকা কি ঠিক ছিলো কিনা? সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই এমন ঘটনা ঘটে এবং নির্বাচন কমিশনার যখন যেখাই অভিযোগ পেয়েছে তা সমাধান করেছেন।
বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য নির্বাচনে অংশ নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তার ফায়দা তারা পাবে না। কারণ বিগত ৯০ দিন তারা যা করেছে সেখানে বাংলাদেশ আর ফিরে যাবে না।
বক্তারা বলেন, নির্বাচন কমিশনারে অসঙ্গতি থাকতে পারে, তবে সব মিলিয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীল দলের আহবায়ক নাজমা শাহিন, কবি সৈয়দ শামসুল হক, সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল প্রমুখ।
এমএ/কেএইচ





