মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ঢাকা ও এর পাশ্ববর্তী এলাকা থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি ৪ নারী ও শিশুর ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্টে প্রাথমিকভাবে চার জনেরই ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।
বুধবার ঢামেক ওসিসি’র সমন্বয়কারী ডা. বিলকিস বেগম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ধর্ষণের শিকার ভাটারার ১২ বছরের উপজাতি শিশু, যাত্রাবাড়ীর কলেকছাত্রী, গাজীপুর শ্রীপুরের গৃহিনী ও মুন্সিগঞ্জ সিরাজদিখানের ৬ বছরের শিশু ঢামেক ওসিসি’তে ভর্তি হয়। বুধবার সকালে এদের চারজনের ফরেনসিক পরীক্ষা করানো হয়েছে। এতে প্রাথমিকভাব চার জনেরই ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তবে তাদের রেডিওলজি ও ডিএনএ পরীক্ষা বাকি আছে। রিপোর্ট হাতে পেলে পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানা যাবে।
তিনি আরও জানান, শ্রীপুরে গ্যাংরেপের শিকার গৃহিনী খুবই অসুস্থ। তিনি হাঁটতেই পারেন না।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাতটায় শ্রীপুরের একটি জঙ্গলে স্বামীর সহযোগিতায় আটজন মিলে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে। এদিন মধ্যরাতে তাকে ঢামেকে আনা হয়।
একইদিন দুপুরে রাজধানীর ভাটারায় এক উপজাতি শিশুকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করে আলআমিন নামে স্থানীয় এক যুবক। রাতে তাকে ঢামেক ওসিসিতে ভর্তি করা হয়।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ীতে এক কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণ করে পুরান ঢাকার সলিমুল্লাহ কলেজের ছাত্র শাহাদত (২৩), ফয়সাল (২৫) এবং বাবু (২৩)। রাতে তাকে ঢামেকে ভর্তি করা হয়।
এছাড়া গত পহেলা আগস্ট মুন্সিগঞ্জে ফুপাতভাই কর্তৃক ধর্ষণের শিকার এক শিশুকে গতরাতে ঢামেক ওসিসিতে ভর্তি করা হয়।
কেএইচ





